কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি এবং তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে এ ধরনের অপকর্মের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ক্ষতিকর কনটেন্ট ছড়ানোর ক্ষেত্রে সাধারণ নেটিজেনদের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকার বিষয়টিও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
মেহজাবীন চৌধুরী তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, এআই ব্যবহার করে কারও সম্মানহানি করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা কোনো বিনোদন বা ট্রোল হতে পারে না; বরং এটি অত্যন্ত গুরুতর একটি অন্যায়। তবে এ ধরনের ভুয়া কনটেন্ট যখন সাধারণ হাজার হাজার মানুষ না বুঝে বা কৌতূহলবশত শেয়ার করতে থাকেন, তখন বিষয়টি আর কেবল একজন অপরাধীর অন্যায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং তা পুরো সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের রূপ প্রকাশ করে।
অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করা এখন জীবিকা অর্জনের প্রধান মাধ্যম—বিষয়টি স্বীকার করেই অভিনেত্রী প্রশ্ন তোলেন, "কবে থেকে অন্য একজন মানুষকে অপমান ও অসম্মান করা উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?"
তাঁর মতে, এ জাতীয় সমস্যাকে নারী কিংবা পুরুষের একক সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিজিটাল ভিউ ও এনগেজমেন্ট পাওয়ার অন্ধ প্রতিযোগিতায় ক্ষতিকর কনটেন্ট তৈরির কাজে যে কেউ জড়িয়ে পড়তে পারেন এবং একইভাবে যে কেউ এর শিকার হতে পারেন।
মেহজাবীন আরও বলেন, মিথ্যা কনটেন্ট তৈরি করা অপরাধীদের চেয়ে তাঁকে বেশি ভাবিয়ে তোলে সেইসব মানুষদের মানসিকতা, যারা স্বেচ্ছায় এসব নোংরা কনটেন্ট শেয়ার করেন, কমেন্ট বক্সে আলোচনা বানান এবং তা আরও বিপুল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেবল ভিউ, লাইক, শেয়ার ও 'ট্রেন্ডিং'-এ থাকার এই অসুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি পরিহার করার অনুরোধ জানান তিনি। একইসঙ্গে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারী প্রত্যেকের বিবেক ও দায়িত্ববোধের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, "একজন অপরাধীর তৈরি করা অপপ্রচারে অংশ নিয়ে নিজেকে বিবেকহীন হিসেবে প্রমাণ করবেন কিনা—তা প্রত্যেক ব্যবহারকারীর নিজেরই ভেবে দেখা উচিত।"

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি এবং তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে এ ধরনের অপকর্মের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ক্ষতিকর কনটেন্ট ছড়ানোর ক্ষেত্রে সাধারণ নেটিজেনদের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকার বিষয়টিও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
মেহজাবীন চৌধুরী তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, এআই ব্যবহার করে কারও সম্মানহানি করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা কোনো বিনোদন বা ট্রোল হতে পারে না; বরং এটি অত্যন্ত গুরুতর একটি অন্যায়। তবে এ ধরনের ভুয়া কনটেন্ট যখন সাধারণ হাজার হাজার মানুষ না বুঝে বা কৌতূহলবশত শেয়ার করতে থাকেন, তখন বিষয়টি আর কেবল একজন অপরাধীর অন্যায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং তা পুরো সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের রূপ প্রকাশ করে।
অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করা এখন জীবিকা অর্জনের প্রধান মাধ্যম—বিষয়টি স্বীকার করেই অভিনেত্রী প্রশ্ন তোলেন, "কবে থেকে অন্য একজন মানুষকে অপমান ও অসম্মান করা উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?"
তাঁর মতে, এ জাতীয় সমস্যাকে নারী কিংবা পুরুষের একক সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিজিটাল ভিউ ও এনগেজমেন্ট পাওয়ার অন্ধ প্রতিযোগিতায় ক্ষতিকর কনটেন্ট তৈরির কাজে যে কেউ জড়িয়ে পড়তে পারেন এবং একইভাবে যে কেউ এর শিকার হতে পারেন।
মেহজাবীন আরও বলেন, মিথ্যা কনটেন্ট তৈরি করা অপরাধীদের চেয়ে তাঁকে বেশি ভাবিয়ে তোলে সেইসব মানুষদের মানসিকতা, যারা স্বেচ্ছায় এসব নোংরা কনটেন্ট শেয়ার করেন, কমেন্ট বক্সে আলোচনা বানান এবং তা আরও বিপুল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেবল ভিউ, লাইক, শেয়ার ও 'ট্রেন্ডিং'-এ থাকার এই অসুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি পরিহার করার অনুরোধ জানান তিনি। একইসঙ্গে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারী প্রত্যেকের বিবেক ও দায়িত্ববোধের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, "একজন অপরাধীর তৈরি করা অপপ্রচারে অংশ নিয়ে নিজেকে বিবেকহীন হিসেবে প্রমাণ করবেন কিনা—তা প্রত্যেক ব্যবহারকারীর নিজেরই ভেবে দেখা উচিত।"

আপনার মতামত লিখুন