রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সশস্ত্র বাহিনীর দুই সাবেক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন— অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, দেশে কৃত্রিমভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্রে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী অসত্য তথ্য ছড়ানো ও সাইবার অপরাধ সংগঠনের মাধ্যমে জননিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করার সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতেই তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
তবে তাঁদের ঠিক কোন কোন নির্দিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে কিংবা কত দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সশস্ত্র বাহিনীর দুই সাবেক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন— অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, দেশে কৃত্রিমভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্রে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী অসত্য তথ্য ছড়ানো ও সাইবার অপরাধ সংগঠনের মাধ্যমে জননিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করার সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতেই তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
তবে তাঁদের ঠিক কোন কোন নির্দিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে কিংবা কত দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন