দিকপাল

বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: জীবন, শিল্পসাধনা ও স্মৃতির নানা দিক


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ | ০৪:৫১ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: জীবন, শিল্পসাধনা ও স্মৃতির নানা দিক

আজ ১০ অক্টোবর, বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অসুস্থতাজনিত কারণে অগণিত ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। পরবর্তীতে নড়াইল শহরের চিত্রা নদীর পাড়ের সবুজ-শ্যামল ছায়াঘেরা নিজ বাসভবনের উত্তর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় রংতুলির এই জাদুকরকে। 

শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দিনব্যাপী কর্মসূচি:

শিল্পী সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী ও তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—কুরআন খতম, শিল্পীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত, শিশুকিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, স্মরণসভা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। 

জন্ম ও শৈশব:

শিল্পী এস এম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইল শহরের মাছিমদিয়ায় এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবি। বাবা-মা আদর করে এস এম সুলতানের নাম রেখেছিলেন ‘লাল মিয়া’। পরিবারের আর্থিক অভাব-অনটনের কারণে সুলতান প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায় বেশিদূর এগোতে পারেননি। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার পর তাঁর স্কুলজীবনের ইতি ঘটে। এরপর তিনি জীবিকার তাগিদে বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ শুরু করেন। তবে ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার প্রতি ছিল তাঁর প্রচণ্ড ঝোঁক ও আগ্রহ। বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ করার সুবাদে তিনি দালানকোঠার গায়ে ছবি আঁকা শুরু করেন। ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং প্রায় তিন বছর চিত্রকলার ওপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। 

বিশ্বভ্রমণ ও সাধনা:

প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখেই তিনি বেরিয়ে পড়েন অজানার উদ্দেশ্যে। শিল্পী সুলতান পাকিস্তান, কাশ্মীর ও যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। এসব ভ্রমণ ও দীর্ঘ সাধনার মাধ্যমে নিজেকে একজন বিশ্বমানের চিত্রশিল্পী হিসেবে গড়ে তোলেন। জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তি শিল্পীর চিত্রকর্মের প্রদর্শনী বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৪৬ থেকে ১৯৫১ সালের মধ্যে তিনি এসব দেশে বেশ কয়েকটি একক ও যৌথ প্রদর্শনীতে অংশ নেন। দেশের ভেতরে ঢাকা ও নড়াইলেও তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্মের প্রদর্শনী হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে এবং ১৯৮৭ সালে গ্যেটে ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীগুলো তাঁর খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে দেয়।

শিল্পকর্মের বৈশিষ্ট্য ও জাতীয় সম্মাননা:

বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের চিত্রকর্মের মূল বৈশিষ্ট্য ছিল গ্রামীণ জীবন এবং অতিবলিষ্ঠ ও পেশিবহুল কৃষকসমাজ। তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘চর দখল’, ‘ধান কাটা’, ‘পাট কাটা’, ‘কৃষকের সংগ্রাম’ ও ‘আমার গ্রাম’। চিত্রকলায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এস এম সুলতান ১৯৮২ সালে ‘একুশে পদক’ এবং ১৯৯৩ সালে ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত হন। এ ছাড়া দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন তিনি।

স্মৃতিসংগ্রহশালা ও শিশুস্বর্গ:

১৯৯৪ সালে শিল্পী সুলতানের মৃত্যুর পর তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে ২০০৩ সালে প্রায় এক একর জমির ওপর স্মৃতিসংগ্রহশালা ও শিশুস্বর্গ তৈরি করা হয়। এ ছাড়া শিল্পীর নামে একটি আর্ট কলেজও প্রতিষ্ঠা করা হয়। শিশুস্বর্গে বর্তমানে সপ্তাহে দুই দিন শিশুরা ছবি আঁকা শেখে। কোমলমতি এসব শিশু শিল্পী এস এম সুলতানের মতো খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নিয়মিত ছবি আঁকা শেখে। সুলতানের প্রতিষ্ঠিত এই শিশুস্বর্গে কাজ করতে পেরে শিক্ষকেরাও অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। 

সংগ্রহশালার বর্তমান অবস্থা ও দর্শনার্থীদের দাবি:

এস এম সুলতান স্মৃতিসংগ্রহশালায় রয়েছে শিল্পীর আঁকা দুর্লভ কিছু ছবি ও তাঁর ব্যবহার্য বিভিন্ন জিনিসপত্র। শিল্পীর এসব চিত্রকর্ম ও তাঁর ঐতিহাসিক বাসভবন দেখতে এবং সুলতান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ছুটে আসেন। চিত্রা নদীর পাশের সবুজ-শ্যামল ছায়াঘেরা পরিবেশ দর্শনার্থীদের মন কেড়ে নেয়। তবে আয়তন ও পরিধি সীমিত হওয়ায় অনেক দর্শনার্থী পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হয়ে ফিরে যান। আশপাশের জমি অধিগ্রহণ করে সুলতান স্মৃতিসংগ্রহশালাকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত করার জোর দাবি জানিয়েছেন দর্শনার্থীরা।

এ প্রসঙ্গে এস এম সুলতান স্মৃতিসংগ্রহশালার কিউরেটর তন্দ্রা মুখার্জি জানান, সংগ্রহশালায় বর্তমানে শিল্পী সুলতানের ২৩টি দুর্লভ চিত্রকর্ম এবং ৫৩টি প্রতিরূপ রয়েছে। শিল্পীর আরও বহু চিত্রকর্ম থাকলেও স্থানসংকুলান না হওয়ায় তা প্রদর্শন করা যাচ্ছে না। সংগ্রহশালাটি সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণের একটি প্রস্তাব দীর্ঘকাল ধরে মন্ত্রণালয়ে ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে আছে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন পেলে সংগ্রহশালার পরিধি বহুগুণ বাড়বে এবং এটি একটি আকর্ষণীয় পর্যটনবান্ধব স্থানে রূপ নেবে।

বিষয় : বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ,

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: জীবন, শিল্পসাধনা ও স্মৃতির নানা দিক

প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আজ ১০ অক্টোবর, বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অসুস্থতাজনিত কারণে অগণিত ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। পরবর্তীতে নড়াইল শহরের চিত্রা নদীর পাড়ের সবুজ-শ্যামল ছায়াঘেরা নিজ বাসভবনের উত্তর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় রংতুলির এই জাদুকরকে। 

শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দিনব্যাপী কর্মসূচি:

শিল্পী সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী ও তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—কুরআন খতম, শিল্পীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত, শিশুকিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, স্মরণসভা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। 

জন্ম ও শৈশব:

শিল্পী এস এম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইল শহরের মাছিমদিয়ায় এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবি। বাবা-মা আদর করে এস এম সুলতানের নাম রেখেছিলেন ‘লাল মিয়া’। পরিবারের আর্থিক অভাব-অনটনের কারণে সুলতান প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায় বেশিদূর এগোতে পারেননি। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার পর তাঁর স্কুলজীবনের ইতি ঘটে। এরপর তিনি জীবিকার তাগিদে বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ শুরু করেন। তবে ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার প্রতি ছিল তাঁর প্রচণ্ড ঝোঁক ও আগ্রহ। বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ করার সুবাদে তিনি দালানকোঠার গায়ে ছবি আঁকা শুরু করেন। ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং প্রায় তিন বছর চিত্রকলার ওপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। 

বিশ্বভ্রমণ ও সাধনা:

প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখেই তিনি বেরিয়ে পড়েন অজানার উদ্দেশ্যে। শিল্পী সুলতান পাকিস্তান, কাশ্মীর ও যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। এসব ভ্রমণ ও দীর্ঘ সাধনার মাধ্যমে নিজেকে একজন বিশ্বমানের চিত্রশিল্পী হিসেবে গড়ে তোলেন। জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তি শিল্পীর চিত্রকর্মের প্রদর্শনী বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৪৬ থেকে ১৯৫১ সালের মধ্যে তিনি এসব দেশে বেশ কয়েকটি একক ও যৌথ প্রদর্শনীতে অংশ নেন। দেশের ভেতরে ঢাকা ও নড়াইলেও তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্মের প্রদর্শনী হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে এবং ১৯৮৭ সালে গ্যেটে ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীগুলো তাঁর খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে দেয়।

শিল্পকর্মের বৈশিষ্ট্য ও জাতীয় সম্মাননা:

বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের চিত্রকর্মের মূল বৈশিষ্ট্য ছিল গ্রামীণ জীবন এবং অতিবলিষ্ঠ ও পেশিবহুল কৃষকসমাজ। তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘চর দখল’, ‘ধান কাটা’, ‘পাট কাটা’, ‘কৃষকের সংগ্রাম’ ও ‘আমার গ্রাম’। চিত্রকলায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এস এম সুলতান ১৯৮২ সালে ‘একুশে পদক’ এবং ১৯৯৩ সালে ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত হন। এ ছাড়া দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন তিনি।

স্মৃতিসংগ্রহশালা ও শিশুস্বর্গ:

১৯৯৪ সালে শিল্পী সুলতানের মৃত্যুর পর তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে ২০০৩ সালে প্রায় এক একর জমির ওপর স্মৃতিসংগ্রহশালা ও শিশুস্বর্গ তৈরি করা হয়। এ ছাড়া শিল্পীর নামে একটি আর্ট কলেজও প্রতিষ্ঠা করা হয়। শিশুস্বর্গে বর্তমানে সপ্তাহে দুই দিন শিশুরা ছবি আঁকা শেখে। কোমলমতি এসব শিশু শিল্পী এস এম সুলতানের মতো খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নিয়মিত ছবি আঁকা শেখে। সুলতানের প্রতিষ্ঠিত এই শিশুস্বর্গে কাজ করতে পেরে শিক্ষকেরাও অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। 

সংগ্রহশালার বর্তমান অবস্থা ও দর্শনার্থীদের দাবি:

এস এম সুলতান স্মৃতিসংগ্রহশালায় রয়েছে শিল্পীর আঁকা দুর্লভ কিছু ছবি ও তাঁর ব্যবহার্য বিভিন্ন জিনিসপত্র। শিল্পীর এসব চিত্রকর্ম ও তাঁর ঐতিহাসিক বাসভবন দেখতে এবং সুলতান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ছুটে আসেন। চিত্রা নদীর পাশের সবুজ-শ্যামল ছায়াঘেরা পরিবেশ দর্শনার্থীদের মন কেড়ে নেয়। তবে আয়তন ও পরিধি সীমিত হওয়ায় অনেক দর্শনার্থী পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হয়ে ফিরে যান। আশপাশের জমি অধিগ্রহণ করে সুলতান স্মৃতিসংগ্রহশালাকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত করার জোর দাবি জানিয়েছেন দর্শনার্থীরা।

এ প্রসঙ্গে এস এম সুলতান স্মৃতিসংগ্রহশালার কিউরেটর তন্দ্রা মুখার্জি জানান, সংগ্রহশালায় বর্তমানে শিল্পী সুলতানের ২৩টি দুর্লভ চিত্রকর্ম এবং ৫৩টি প্রতিরূপ রয়েছে। শিল্পীর আরও বহু চিত্রকর্ম থাকলেও স্থানসংকুলান না হওয়ায় তা প্রদর্শন করা যাচ্ছে না। সংগ্রহশালাটি সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণের একটি প্রস্তাব দীর্ঘকাল ধরে মন্ত্রণালয়ে ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে আছে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন পেলে সংগ্রহশালার পরিধি বহুগুণ বাড়বে এবং এটি একটি আকর্ষণীয় পর্যটনবান্ধব স্থানে রূপ নেবে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল