ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মিয়ানমার সীমান্তে পরপর তিনটি ভূমিকম্পের কারণে দিবাগত রাতে বাংলাদেশজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মাত্র দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে (রাত ১২টা ১২ মিনিট থেকে ১টা ২৭ মিনিট) সংঘটিত এসব ভূকম্পনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ফেনী ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল কেঁপে ওঠে।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্যানুযায়ী, রবিবার (৪ অক্টোবর) রাত ১২টা ১২ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.৯। সীমান্তসংলগ্ন কক্সবাজারের টেকনাফসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে এর স্পষ্ট কম্পন অনুভূত হয়।
এর ঠিক এক মিনিট পর, রাত ১২টা ১৩ মিনিটে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে মিজোরামের লুংলেই এলাকায় ৫.০ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ দেশের পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রবলভাবে কেঁপে ওঠে।
পরবর্তীতে রাত ১টা ২৭ মিনিটে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায় ৩.৮ মাত্রার তৃতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। স্বল্প মাত্রার হলেও এই কম্পনটি রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে অনুভূত হয়।
মাঝরাতে পরপর তিনবার ভূকম্পন অনুভূত হওয়ায় বিভিন্ন ভবনের বাসিন্দারা আতঙ্কে ঘরবাড় ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন। তবে এসব ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে দেশে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মিয়ানমার সীমান্তে পরপর তিনটি ভূমিকম্পের কারণে দিবাগত রাতে বাংলাদেশজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মাত্র দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে (রাত ১২টা ১২ মিনিট থেকে ১টা ২৭ মিনিট) সংঘটিত এসব ভূকম্পনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ফেনী ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল কেঁপে ওঠে।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্যানুযায়ী, রবিবার (৪ অক্টোবর) রাত ১২টা ১২ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.৯। সীমান্তসংলগ্ন কক্সবাজারের টেকনাফসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে এর স্পষ্ট কম্পন অনুভূত হয়।
এর ঠিক এক মিনিট পর, রাত ১২টা ১৩ মিনিটে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে মিজোরামের লুংলেই এলাকায় ৫.০ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ দেশের পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রবলভাবে কেঁপে ওঠে।
পরবর্তীতে রাত ১টা ২৭ মিনিটে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায় ৩.৮ মাত্রার তৃতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। স্বল্প মাত্রার হলেও এই কম্পনটি রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে অনুভূত হয়।
মাঝরাতে পরপর তিনবার ভূকম্পন অনুভূত হওয়ায় বিভিন্ন ভবনের বাসিন্দারা আতঙ্কে ঘরবাড় ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন। তবে এসব ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে দেশে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন