পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় নিউক্লিয়ার ফুয়েল বা ইউরেনিয়ামের নতুন চালান আকাশসীমা সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে বাংলাদেশে আসতে শুরু করছে। ফ্লাইট অনুমোদনের বিলম্বের কারণে কয়েক দিন পিছিয়ে ১ অক্টোবর থেকে ইউরেনিয়ামের প্রথম এ চালানটি রাশিয়ার বিশেষ কার্গো বিমানে দেশে আনা হচ্ছে।
পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি পাঠানোর নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রথম চালানটি ২৪ সেপ্টেম্বর আসার কথা ছিল। তবে ট্রানজিট দেশগুলোর আকাশসীমা ব্যবহারের কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ফ্লাইটটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। সম্প্রতি তা নিরসন হওয়ায় অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে মোট সাতটি পৃথক চার্টার্ড বিমানে ধাপে ধাপে সব জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছাবে।
দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটের প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম ২০২৩ সালেই দেশে এসে পৌঁছেছিল, যা বর্তমানে পরীক্ষার কাজ শেষে উৎপাদনে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কড়া নিরাপত্তা নীতি মেনে বিশেষ সড়ক পথ ধরে রূপপুরের মূল প্রকল্প এলাকায় এই ইউরেনিয়াম পরিবহন করা হবে। সব প্রক্রিয়া ঠিকঠাক সম্পন্ন হলে খুব শিগগিরই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় নিউক্লিয়ার ফুয়েল বা ইউরেনিয়ামের নতুন চালান আকাশসীমা সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে বাংলাদেশে আসতে শুরু করছে। ফ্লাইট অনুমোদনের বিলম্বের কারণে কয়েক দিন পিছিয়ে ১ অক্টোবর থেকে ইউরেনিয়ামের প্রথম এ চালানটি রাশিয়ার বিশেষ কার্গো বিমানে দেশে আনা হচ্ছে।
পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি পাঠানোর নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রথম চালানটি ২৪ সেপ্টেম্বর আসার কথা ছিল। তবে ট্রানজিট দেশগুলোর আকাশসীমা ব্যবহারের কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ফ্লাইটটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। সম্প্রতি তা নিরসন হওয়ায় অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে মোট সাতটি পৃথক চার্টার্ড বিমানে ধাপে ধাপে সব জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছাবে।
দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটের প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম ২০২৩ সালেই দেশে এসে পৌঁছেছিল, যা বর্তমানে পরীক্ষার কাজ শেষে উৎপাদনে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কড়া নিরাপত্তা নীতি মেনে বিশেষ সড়ক পথ ধরে রূপপুরের মূল প্রকল্প এলাকায় এই ইউরেনিয়াম পরিবহন করা হবে। সব প্রক্রিয়া ঠিকঠাক সম্পন্ন হলে খুব শিগগিরই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন