অর্থ বিভাগের সাম্প্রতিক এক সংশোধনীর কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানে জনবল সরবরাহকারী বেসরকারি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। নতুন নির্দেশনায় সরকারি কাজে বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে নতুন করে আউটসোর্সিং সেবা নেওয়ার সুযোগ কঠোরভাবে সীমিত করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খাত-সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দেশের অন্তত ১ হাজার ৮০০ লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান ব্যবসা হারানোর পাশাপাশি এতে কর্মরত প্রায় ২ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
সম্প্রতি এ সংক্রান্ত ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা-২০২৫’-এর বিতর্কিত সংশোধনী বাতিলের দাবি জানিয়ে অর্থ বিভাগে লিখিত আবেদন দিয়েছেন সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও প্রতিনিধিরা। তাদের অভিযোগ, ২০০৮ সাল থেকে প্রবর্তিত নীতিমালা এবং পরবর্তী সময়ে ২০১৮ ও ২০২৫ সালের কাঠামোর আওতায় তারা শ্রম আইন ও সরকারি ক্রয় বিধিমালা মেনেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। অথচ প্রধান অংশীজনদের সঙ্গে কোনো প্রকার আলোচনা না করেই অর্থ বিভাগ গত ২১ সেপ্টেম্বর আকস্মিকভাবে নীতিমালায় এই বড় পরিবর্তন এনেছে।
নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে আর বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে নতুন আউটসোর্সিং সেবা নিতে পারবে না। এর পরিবর্তে সরাসরি ব্যক্তিপর্যায়ে চুক্তি অথবা অর্থ বিভাগ অনুমোদিত বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করতে হবে। এ ছাড়া সংশোধিত নীতিমালায় আউটসোর্সিং কর্মীর পারিশ্রমিক সরাসরি তার ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে প্রদান, সরকারি অনুমোদন ছাড়া কর্মী পরিবর্তন না করা এবং চুক্তির বাইরে অন্য কাজ না করানোর বাধ্যবাধকতা যুক্ত করা হয়েছে।
উদ্যোক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, নিয়মিত লাইসেন্স ফি, আয়কর ও ভ্যাট প্রদান করে আসা এসব প্রতিষ্ঠান হঠাৎ কাজ হারালে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে এবং পরিবারসহ নিদারুণ বিপদে পড়বেন দুই লাখ কর্মী। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে বিদ্যমান আইন ও বিনিয়োগ নিরাপত্তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে সংশোধনীটি দ্রুত পুনর্বিবেচনা ও বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
অর্থ বিভাগের সাম্প্রতিক এক সংশোধনীর কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানে জনবল সরবরাহকারী বেসরকারি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। নতুন নির্দেশনায় সরকারি কাজে বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে নতুন করে আউটসোর্সিং সেবা নেওয়ার সুযোগ কঠোরভাবে সীমিত করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খাত-সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দেশের অন্তত ১ হাজার ৮০০ লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান ব্যবসা হারানোর পাশাপাশি এতে কর্মরত প্রায় ২ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
সম্প্রতি এ সংক্রান্ত ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা-২০২৫’-এর বিতর্কিত সংশোধনী বাতিলের দাবি জানিয়ে অর্থ বিভাগে লিখিত আবেদন দিয়েছেন সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও প্রতিনিধিরা। তাদের অভিযোগ, ২০০৮ সাল থেকে প্রবর্তিত নীতিমালা এবং পরবর্তী সময়ে ২০১৮ ও ২০২৫ সালের কাঠামোর আওতায় তারা শ্রম আইন ও সরকারি ক্রয় বিধিমালা মেনেই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। অথচ প্রধান অংশীজনদের সঙ্গে কোনো প্রকার আলোচনা না করেই অর্থ বিভাগ গত ২১ সেপ্টেম্বর আকস্মিকভাবে নীতিমালায় এই বড় পরিবর্তন এনেছে।
নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে আর বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে নতুন আউটসোর্সিং সেবা নিতে পারবে না। এর পরিবর্তে সরাসরি ব্যক্তিপর্যায়ে চুক্তি অথবা অর্থ বিভাগ অনুমোদিত বিশেষায়িত সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করতে হবে। এ ছাড়া সংশোধিত নীতিমালায় আউটসোর্সিং কর্মীর পারিশ্রমিক সরাসরি তার ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে প্রদান, সরকারি অনুমোদন ছাড়া কর্মী পরিবর্তন না করা এবং চুক্তির বাইরে অন্য কাজ না করানোর বাধ্যবাধকতা যুক্ত করা হয়েছে।
উদ্যোক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, নিয়মিত লাইসেন্স ফি, আয়কর ও ভ্যাট প্রদান করে আসা এসব প্রতিষ্ঠান হঠাৎ কাজ হারালে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে এবং পরিবারসহ নিদারুণ বিপদে পড়বেন দুই লাখ কর্মী। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে বিদ্যমান আইন ও বিনিয়োগ নিরাপত্তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে সংশোধনীটি দ্রুত পুনর্বিবেচনা ও বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন