বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্মপদ্ধতির মধ্যে কার্যত কোনো মৌলিক পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা। সম্প্রতি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন দলের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তাঁর মতে, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতার রাজনীতি করতে গিয়ে বারবার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করছে। উমামা ফাতেমা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘ দিন ক্ষমতায় থেকে যেভাবে কর্তৃত্ববাদী শাসন জোরদার করেছিল এবং ভিন্নমত দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, অন্যান্য বড় দলগুলোর আচরণেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। নাম ভিন্ন হলেও দলগুলোর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, অভ্যন্তরীণ চর্চা এবং ক্ষমতার মোহে জনগণের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা একই সূত্রে গাঁথা। এতে করে রাজপথের ছাত্র-জনতার ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত পরিবর্তনের মূল চেতনা ব্যাহত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা তরুণ নেতৃত্বের কাছ থেকে এমন স্পষ্ট ও কড়া বক্তব্য দেশের রাজনীতিতে এক নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম এখন কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং সার্বিক রাজনৈতিক সংস্কার ও সুস্থ ধারার চর্চা দেখতে চায়। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলোর গতানুগতিক ভূমিকা ও বিভিন্ন ইস্যুতে দেওয়া বক্তব্যের ধারাবাহিক সমালোচনা করে আসছেন। ক্ষমতার রাজনীতিতে দলগুলোর পুরনো স্বভাব বজায় থাকলে সাধারণ মানুষ ও ছাত্রসমাজ কীভাবে তাদের বিকল্প হিসেবে চিন্তা করবে—সে প্রশ্ন তুলে নীতিগত পরিবর্তনের তাগিদ দিচ্ছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্মপদ্ধতির মধ্যে কার্যত কোনো মৌলিক পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা। সম্প্রতি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন দলের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তাঁর মতে, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতার রাজনীতি করতে গিয়ে বারবার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করছে। উমামা ফাতেমা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘ দিন ক্ষমতায় থেকে যেভাবে কর্তৃত্ববাদী শাসন জোরদার করেছিল এবং ভিন্নমত দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, অন্যান্য বড় দলগুলোর আচরণেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। নাম ভিন্ন হলেও দলগুলোর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, অভ্যন্তরীণ চর্চা এবং ক্ষমতার মোহে জনগণের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা একই সূত্রে গাঁথা। এতে করে রাজপথের ছাত্র-জনতার ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত পরিবর্তনের মূল চেতনা ব্যাহত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা তরুণ নেতৃত্বের কাছ থেকে এমন স্পষ্ট ও কড়া বক্তব্য দেশের রাজনীতিতে এক নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম এখন কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং সার্বিক রাজনৈতিক সংস্কার ও সুস্থ ধারার চর্চা দেখতে চায়। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলোর গতানুগতিক ভূমিকা ও বিভিন্ন ইস্যুতে দেওয়া বক্তব্যের ধারাবাহিক সমালোচনা করে আসছেন। ক্ষমতার রাজনীতিতে দলগুলোর পুরনো স্বভাব বজায় থাকলে সাধারণ মানুষ ও ছাত্রসমাজ কীভাবে তাদের বিকল্প হিসেবে চিন্তা করবে—সে প্রশ্ন তুলে নীতিগত পরিবর্তনের তাগিদ দিচ্ছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন