রাজধানীর মিরপুরের হোপ মার্কেটে ‘অবৈধ’ দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও হকারদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারাত্মক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিরপুর ১০ থেকে ১৪ নম্বর অভিমুখী প্রধান সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে হোপ মার্কেট এলাকায় এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে মার্কেট এলাকার অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়। এ সময় স্থানীয় হকাররা একজোটে বাধা সৃষ্টি করেন এবং একপর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করলে চারদিকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশ ১০ নম্বর মোড় থেকে ১৪ নম্বরমুখী সড়কে ব্যারিকেড দিলে আশেপাশের এলাকায় তীব্র যানজট ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি তৈরি হয়।
সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দায়িত্ব পালনরত বেশ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী হকারদের হামলায় আহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, উত্তেজিত হকাররা একাত্তর টেলিভিশনসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ওপর চড়াও হন এবং সময় টেলিভিশনের এক চিত্রসাংবাদিকের মাথা ফাটিয়ে দেন। পেশাগত ঝুঁকি এড়াতে এলাকায় উপস্থিত অন্যান্য সংবাদকর্মীরা সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
ঘটনাস্থলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে বলে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের হোপ মার্কেটে ‘অবৈধ’ দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও হকারদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারাত্মক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিরপুর ১০ থেকে ১৪ নম্বর অভিমুখী প্রধান সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে হোপ মার্কেট এলাকায় এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে মার্কেট এলাকার অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়। এ সময় স্থানীয় হকাররা একজোটে বাধা সৃষ্টি করেন এবং একপর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করলে চারদিকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশ ১০ নম্বর মোড় থেকে ১৪ নম্বরমুখী সড়কে ব্যারিকেড দিলে আশেপাশের এলাকায় তীব্র যানজট ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি তৈরি হয়।
সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দায়িত্ব পালনরত বেশ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী হকারদের হামলায় আহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, উত্তেজিত হকাররা একাত্তর টেলিভিশনসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ওপর চড়াও হন এবং সময় টেলিভিশনের এক চিত্রসাংবাদিকের মাথা ফাটিয়ে দেন। পেশাগত ঝুঁকি এড়াতে এলাকায় উপস্থিত অন্যান্য সংবাদকর্মীরা সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
ঘটনাস্থলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে বলে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন