মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) টাঙ্গানিকা হ্রদে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ও মালামালবোঝাই একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪১ জনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ বাকি যাত্রীদের সন্ধানে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।
ডিআর কঙ্গোর টাঙ্গানিকা প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী নরিস মুলঙ্গোয়ি জানান, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে কঙ্গোর কালেমি শহরের উদ্দেশে যাত্রা করে নৌকাটি। পথিমধ্যে মাপেরা গ্রামের কাছাকাছি পৌঁছালে এটি গভীর হ্রদে তলিয়ে যায়। উদ্ধার পাওয়া এক যাত্রী জানান, স্থানীয় সময় মধ্যরাতে যাত্রীরা ঘুমন্ত থাকা অবস্থায় নৌকাটি একদিকে কাত হয়ে দ্রুত ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। তবে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য পরিবহন, নৌযানের দুর্বল অবকাঠামো এবং পর্যাপ্ত জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জামের অভাবই দেশটিতে ঘনঘন নৌদুর্ঘটনা ও প্রাণহানির মূল কারণ।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) টাঙ্গানিকা হ্রদে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ও মালামালবোঝাই একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪১ জনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ বাকি যাত্রীদের সন্ধানে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।
ডিআর কঙ্গোর টাঙ্গানিকা প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী নরিস মুলঙ্গোয়ি জানান, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে কঙ্গোর কালেমি শহরের উদ্দেশে যাত্রা করে নৌকাটি। পথিমধ্যে মাপেরা গ্রামের কাছাকাছি পৌঁছালে এটি গভীর হ্রদে তলিয়ে যায়। উদ্ধার পাওয়া এক যাত্রী জানান, স্থানীয় সময় মধ্যরাতে যাত্রীরা ঘুমন্ত থাকা অবস্থায় নৌকাটি একদিকে কাত হয়ে দ্রুত ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। তবে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য পরিবহন, নৌযানের দুর্বল অবকাঠামো এবং পর্যাপ্ত জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জামের অভাবই দেশটিতে ঘনঘন নৌদুর্ঘটনা ও প্রাণহানির মূল কারণ।

আপনার মতামত লিখুন