নতুন পোশাক কেনার পরপরই তা না ধুয়ে সরাসরি পরিধানের বিষয়ে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির সতর্কতা জারি করেছেন চিকিৎসকরা। শপিং মল কিংবা দোকান থেকে কেনা নতুন পোশাক আপাতদৃষ্টিতে দৃষ্টিনন্দন ও পরিষ্কার মনে হলেও না ধুয়ে তা ব্যবহারে মারাত্মক চর্মরোগসহ নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শোরুমে ঝুলতে থাকা পোশাকগুলো ক্রেতাদের হাতে পৌঁছানোর পূর্বে বহু মানুষের স্পর্শে আসে। অনেকেই কেনার আগে পোশাকে ট্রায়াল দিয়ে থাকেন, যার ফলে অন্য ব্যক্তির শরীরের ঘাম, ত্বকের মৃত কোষ, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও বিভিন্ন সংক্রামক ভাইরাস কাপড়ের ফাইবারে আটকে যায়। এছাড়া দীর্ঘদিন গুদামজাত করে রাখার কারণে পোশাকে নানা ধরনের ধুলাবালি ও অ্যালার্জির জীবাণু জমে থাকে। না ধোয়া পোশাক সরাসরি গায়ে জড়ালে ত্বকে তীব্র চুলকানি, দাদ ও অন্যান্য সংক্রামক চর্মরোগ হওয়ার প্রবল ঝুঁকি তৈরি হয়।
তাছাড়া পোশাক
প্রস্তুতকরণ প্রক্রিয়ায় রং দীর্ঘস্থায়ী করা, কাপড়ের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং ভাঁজ নষ্ট হওয়া
রোধে ফরমালডিহাইড ও এজো ডাইয়ের মতো মারাত্মক কৃত্রিম রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।
এসব ক্ষতিকর কেমিক্যাল কাপড়ের সুতায় থেকে যায়, যা শরীরের ঘামের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ত্বকে লাল
ফুসকুড়ি, এলার্জি কিংবা
একজিমার মতো জটিলতা তৈরি করে। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের অধিকারীদের ক্ষেত্রে এই
ঝুঁকি আরও বেশি। তাই যেকোনো নতুন পোশাক ব্যবহারের পূর্বে হালকা গরম পানি বা
মানসম্মত ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে প্রখর রোদে শুকিয়ে নেওয়ার পরামর্শ
দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
নতুন পোশাক কেনার পরপরই তা না ধুয়ে সরাসরি পরিধানের বিষয়ে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির সতর্কতা জারি করেছেন চিকিৎসকরা। শপিং মল কিংবা দোকান থেকে কেনা নতুন পোশাক আপাতদৃষ্টিতে দৃষ্টিনন্দন ও পরিষ্কার মনে হলেও না ধুয়ে তা ব্যবহারে মারাত্মক চর্মরোগসহ নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শোরুমে ঝুলতে থাকা পোশাকগুলো ক্রেতাদের হাতে পৌঁছানোর পূর্বে বহু মানুষের স্পর্শে আসে। অনেকেই কেনার আগে পোশাকে ট্রায়াল দিয়ে থাকেন, যার ফলে অন্য ব্যক্তির শরীরের ঘাম, ত্বকের মৃত কোষ, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও বিভিন্ন সংক্রামক ভাইরাস কাপড়ের ফাইবারে আটকে যায়। এছাড়া দীর্ঘদিন গুদামজাত করে রাখার কারণে পোশাকে নানা ধরনের ধুলাবালি ও অ্যালার্জির জীবাণু জমে থাকে। না ধোয়া পোশাক সরাসরি গায়ে জড়ালে ত্বকে তীব্র চুলকানি, দাদ ও অন্যান্য সংক্রামক চর্মরোগ হওয়ার প্রবল ঝুঁকি তৈরি হয়।
তাছাড়া পোশাক
প্রস্তুতকরণ প্রক্রিয়ায় রং দীর্ঘস্থায়ী করা, কাপড়ের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং ভাঁজ নষ্ট হওয়া
রোধে ফরমালডিহাইড ও এজো ডাইয়ের মতো মারাত্মক কৃত্রিম রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।
এসব ক্ষতিকর কেমিক্যাল কাপড়ের সুতায় থেকে যায়, যা শরীরের ঘামের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ত্বকে লাল
ফুসকুড়ি, এলার্জি কিংবা
একজিমার মতো জটিলতা তৈরি করে। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের অধিকারীদের ক্ষেত্রে এই
ঝুঁকি আরও বেশি। তাই যেকোনো নতুন পোশাক ব্যবহারের পূর্বে হালকা গরম পানি বা
মানসম্মত ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে প্রখর রোদে শুকিয়ে নেওয়ার পরামর্শ
দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন