এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ফরিদপুর সদর উপজেলার অলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওবায়দুর রহমানকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পরপরই স্থানীয় রাজনীতি ও জনমনে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে তাঁর বিরুদ্ধে এই কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দল।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) দিবাগত রাতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা এবং সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপনের যৌথ স্বাক্ষরে বহিষ্কারাদেশ সংক্রান্ত চিঠি প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে যুক্ত থাকায় ওবায়দুল রহমানকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের তাঁর সঙ্গে যে কোনো ধরনের দলীয় সম্পর্ক রাখা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, ওবায়দুল রহমানের ৫ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের একটি আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন জানান, ভিডিওর বিষয়টি প্রাথমিক তদন্তে সত্য প্রমাণিত হওয়ার পর জেলা বিএনপির এক সভায় তাঁকে বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, বিএনপি কোনো অনৈতিকতা বা বিশৃঙ্খলাকে সহ্য করে না এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। ভিডিও প্রকাশের পর থেকে অভিযুক্ত ওবায়দুল রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ফরিদপুর সদর উপজেলার অলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওবায়দুর রহমানকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পরপরই স্থানীয় রাজনীতি ও জনমনে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে তাঁর বিরুদ্ধে এই কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দল।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) দিবাগত রাতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা এবং সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপনের যৌথ স্বাক্ষরে বহিষ্কারাদেশ সংক্রান্ত চিঠি প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে যুক্ত থাকায় ওবায়দুল রহমানকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের তাঁর সঙ্গে যে কোনো ধরনের দলীয় সম্পর্ক রাখা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, ওবায়দুল রহমানের ৫ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের একটি আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন জানান, ভিডিওর বিষয়টি প্রাথমিক তদন্তে সত্য প্রমাণিত হওয়ার পর জেলা বিএনপির এক সভায় তাঁকে বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, বিএনপি কোনো অনৈতিকতা বা বিশৃঙ্খলাকে সহ্য করে না এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। ভিডিও প্রকাশের পর থেকে অভিযুক্ত ওবায়দুল রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন