ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে প্রায় ৩৭.৫ বিলিয়ন (৩,৭৫০ কোটি) ডলারে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ও সেনেটের অর্থসংক্রান্ত কমিটিতে এক শুনানি চলাকালে পেন্টাগন প্রধান এ তথ্য জানান। যুদ্ধ অব্যাহত রাখতে মার্কিন প্রশাসনে জরুরি অতিরিক্ত বরাদ্দের দাবির মুখে এই তথ্য সামনে এল।
পেন্টাগনের এই অস্বাভাবিক খরচের হিসেব ও যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার উদ্যোগে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের আইনপ্রণেতারাই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আগামী নভেম্বর মাসে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন (Midterm Elections) থাকায় এই যুদ্ধ মার্কিন অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন রাজনীতিবিদরা।
অর্থসংক্রান্ত কমিটির শীর্ষ ডেমোক্রেট সিনেটর প্যাটি মারি পেন্টাগনের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত করা এবং বেসামরিক স্থাপনায় হামলার মতো 'যুদ্ধাপরাধমূলক' হুমকির বার্তা দিচ্ছেন, যা নতুন করে একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের (Forever War) ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্যদিকে, যুদ্ধ শুরুর প্রথম ৬ দিনেই ১,১৩০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছিল বলে পূর্বে একটি সূত্রে দাবি করা হলেও, পেন্টাগনের সার্বিক হিসেব প্রক্রিয়া নিয়ে আইনপ্রণেতাদের মাঝে ধোঁয়াশা বজায় রয়েছে।
পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ সতর্ক করে বলেছেন, জরুরি অতিরিক্ত তহবিল অনুমোদন না দেওয়া হলে সেনাসদস্যদের সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতিতে বড় ধরণের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। একই সাথে তিনি ২০২৭ সালের জন্য পেন্টাগনের মূল বাজেট বৃদ্ধি করে ১.৫ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৫০ হাজার কোটি) ডলার করার জোর দাবি জানান।
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী:
সংঘাতের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৮ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।
আহত হয়েছেন প্রায় ৪৩০ জন সেনাসদস্য।
কেবল গত ৭ জুলাই সিজফায়ার ভেঙে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১০০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।
চলতি মাসের শুরুতে দুই দেশের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি বা চুক্তি (MoU) ভেঙে যাওয়ার পর প্রতিদিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তীব্রতর হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে প্রায় ৩৭.৫ বিলিয়ন (৩,৭৫০ কোটি) ডলারে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ও সেনেটের অর্থসংক্রান্ত কমিটিতে এক শুনানি চলাকালে পেন্টাগন প্রধান এ তথ্য জানান। যুদ্ধ অব্যাহত রাখতে মার্কিন প্রশাসনে জরুরি অতিরিক্ত বরাদ্দের দাবির মুখে এই তথ্য সামনে এল।
পেন্টাগনের এই অস্বাভাবিক খরচের হিসেব ও যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার উদ্যোগে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের আইনপ্রণেতারাই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আগামী নভেম্বর মাসে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন (Midterm Elections) থাকায় এই যুদ্ধ মার্কিন অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন রাজনীতিবিদরা।
অর্থসংক্রান্ত কমিটির শীর্ষ ডেমোক্রেট সিনেটর প্যাটি মারি পেন্টাগনের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত করা এবং বেসামরিক স্থাপনায় হামলার মতো 'যুদ্ধাপরাধমূলক' হুমকির বার্তা দিচ্ছেন, যা নতুন করে একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের (Forever War) ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্যদিকে, যুদ্ধ শুরুর প্রথম ৬ দিনেই ১,১৩০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছিল বলে পূর্বে একটি সূত্রে দাবি করা হলেও, পেন্টাগনের সার্বিক হিসেব প্রক্রিয়া নিয়ে আইনপ্রণেতাদের মাঝে ধোঁয়াশা বজায় রয়েছে।
পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ সতর্ক করে বলেছেন, জরুরি অতিরিক্ত তহবিল অনুমোদন না দেওয়া হলে সেনাসদস্যদের সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতিতে বড় ধরণের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। একই সাথে তিনি ২০২৭ সালের জন্য পেন্টাগনের মূল বাজেট বৃদ্ধি করে ১.৫ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৫০ হাজার কোটি) ডলার করার জোর দাবি জানান।
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী:
সংঘাতের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৮ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।
আহত হয়েছেন প্রায় ৪৩০ জন সেনাসদস্য।
কেবল গত ৭ জুলাই সিজফায়ার ভেঙে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১০০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।
চলতি মাসের শুরুতে দুই দেশের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি বা চুক্তি (MoU) ভেঙে যাওয়ার পর প্রতিদিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তীব্রতর হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন