ভারতের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিট)-কে কেন্দ্র করে প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে রাজধানী দিল্লিতে তীব্র আন্দোলনের পর অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশ্নফাঁস ঠেকানোকে ‘জাতীয় দায়িত্ব’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এ ধরনের অপরাধে যুক্ত দোষীদের সর্বোচ্চ কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক শেষে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের কথা জানান।
নরেন্দ্র মোদী বলেন, “দেশের লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নির্ভুল, স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে। যুবসমাজের ভবিষ্যৎ আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁস রুখতে পরীক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
এর আগে নিট প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে 'সংসদ চলো' কর্মসূচির ডাক দেয় বিরোধী ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। সোমবার আয়োজিত এই মিছিলে সংহতি জানিয়ে যোগ দেন খ্যাতনামা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক।
প্রতিবাদকারীদের সংসদ অভিমুখে যাওয়া আটকাতে রাজধানী জুড়ে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে পুলিশ। বেশ কিছু স্থানে ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভকারীরা সংসদের কাছাকাছি পৌঁছে গেলে পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ এবং ব্যাপক ধরপাকড় চালায়।
রাজধানীতে সংঘর্ষ ও বিক্ষোভের পরপরই এনডিএ সাংসদদের পাশাপাশি বিরোধী দলগুলোর প্রতি বিশেষ বার্তা দেন মোদী। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে যুবসমাজের কল্যাণে সংসদে তথ্যভিত্তিক ও গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “জাতীয় স্বার্থ ও ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা উচিত।”
এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ককরোচ পার্টির প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আন্দোলনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক আশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, সরকার আলোচনা ও তদন্তের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
ভারতের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিট)-কে কেন্দ্র করে প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে রাজধানী দিল্লিতে তীব্র আন্দোলনের পর অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশ্নফাঁস ঠেকানোকে ‘জাতীয় দায়িত্ব’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এ ধরনের অপরাধে যুক্ত দোষীদের সর্বোচ্চ কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক শেষে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের কথা জানান।
নরেন্দ্র মোদী বলেন, “দেশের লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নির্ভুল, স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে। যুবসমাজের ভবিষ্যৎ আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁস রুখতে পরীক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
এর আগে নিট প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে 'সংসদ চলো' কর্মসূচির ডাক দেয় বিরোধী ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। সোমবার আয়োজিত এই মিছিলে সংহতি জানিয়ে যোগ দেন খ্যাতনামা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক।
প্রতিবাদকারীদের সংসদ অভিমুখে যাওয়া আটকাতে রাজধানী জুড়ে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে পুলিশ। বেশ কিছু স্থানে ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভকারীরা সংসদের কাছাকাছি পৌঁছে গেলে পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ এবং ব্যাপক ধরপাকড় চালায়।
রাজধানীতে সংঘর্ষ ও বিক্ষোভের পরপরই এনডিএ সাংসদদের পাশাপাশি বিরোধী দলগুলোর প্রতি বিশেষ বার্তা দেন মোদী। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে যুবসমাজের কল্যাণে সংসদে তথ্যভিত্তিক ও গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “জাতীয় স্বার্থ ও ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা উচিত।”
এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ককরোচ পার্টির প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আন্দোলনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক আশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, সরকার আলোচনা ও তদন্তের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।

আপনার মতামত লিখুন