যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে এক বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পর প্রথমবারের মতো যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বসছেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, নৈশভোজের এই ঘরোয়া আয়োজনে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকার ও জোটের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ সমন্বয় এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক করণীয় নিয়ে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে।
বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, যুগপৎ আন্দোলনের সময় যারা রাজপথে দলটির পাশে ছিল, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করাই এই নৈশভোজের মূল উদ্দেশ্য। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে এই আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রতিনিধিরা এবং গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টসহ (এনডিএম) অন্য কয়েকটি শরিক দলের শীর্ষ নেতারাও এই নৈশভোজে যোগ দিচ্ছেন।
যুগপৎ আন্দোলনের অধিকাংশ শরিক দল ও জোট এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে উপস্থিত থাকলেও, একসময়ের অত্যন্ত প্রভাবশালী দুটি মিত্র দল এই নৈশভোজে অংশ নিচ্ছে না। দল দুটি হলো—জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এবং আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে এক বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পর প্রথমবারের মতো যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বসছেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, নৈশভোজের এই ঘরোয়া আয়োজনে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকার ও জোটের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ সমন্বয় এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক করণীয় নিয়ে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে।
বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, যুগপৎ আন্দোলনের সময় যারা রাজপথে দলটির পাশে ছিল, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করাই এই নৈশভোজের মূল উদ্দেশ্য। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে এই আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রতিনিধিরা এবং গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টসহ (এনডিএম) অন্য কয়েকটি শরিক দলের শীর্ষ নেতারাও এই নৈশভোজে যোগ দিচ্ছেন।
যুগপৎ আন্দোলনের অধিকাংশ শরিক দল ও জোট এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে উপস্থিত থাকলেও, একসময়ের অত্যন্ত প্রভাবশালী দুটি মিত্র দল এই নৈশভোজে অংশ নিচ্ছে না। দল দুটি হলো—জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এবং আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)।

আপনার মতামত লিখুন