দিকপাল

শ্রম অধিকার ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে আইএলওর সঙ্গে কাজ করবে সরকার: তারেক রহমান


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ | ০২:০৪ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

শ্রম অধিকার ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে আইএলওর সঙ্গে কাজ করবে সরকার: তারেক রহমান

]বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো। আজ সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের শুরুতে আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আইএলও বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে আগ্রহী এবং শ্রম খাতের উন্নয়নে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত রাখবে। জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইএলওর ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে তাঁর সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

বৈঠকে আইএলও মহাপরিচালক আরও বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী স্বীকৃতি। একই সঙ্গে অত্যন্ত স্বল্প সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অর্জিত অন্যান্য কূটনৈতিক সাফল্যের জন্যও তিনি বর্তমান সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বৈঠকে শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং পরিবর্তিত বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষ ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেন। এ ছাড়া দেশের তৈরি পোশাক খাতের ধারাবাহিক অগ্রগতি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সামগ্রিক অগ্রগতি এবং শ্রম খাতে চলমান সংস্কার কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিতে সরকার ও আইএলওর সহযোগিতা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করা, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও বিস্তর আলোচনা হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমিকবান্ধব, নিরাপদ ও টেকসই কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আইএলও মহাপরিচালকও বাংলাদেশের সঙ্গে সংস্থাটির বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং শ্রম খাতের টেকসই উন্নয়নে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।[TECHTARANGA-POST:2231

গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (জাতিসংঘ) মো. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনোঁ (Max Tuñón) এবং আইএলও সদর দপ্তর জেনেভার মহাপরিচালকের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিতোমি নাকাগোমে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


শ্রম অধিকার ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে আইএলওর সঙ্গে কাজ করবে সরকার: তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

]বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো। আজ সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের শুরুতে আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আইএলও বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে আগ্রহী এবং শ্রম খাতের উন্নয়নে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত রাখবে। জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইএলওর ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে তাঁর সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

বৈঠকে আইএলও মহাপরিচালক আরও বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী স্বীকৃতি। একই সঙ্গে অত্যন্ত স্বল্প সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অর্জিত অন্যান্য কূটনৈতিক সাফল্যের জন্যও তিনি বর্তমান সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বৈঠকে শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং পরিবর্তিত বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষ ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেন। এ ছাড়া দেশের তৈরি পোশাক খাতের ধারাবাহিক অগ্রগতি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সামগ্রিক অগ্রগতি এবং শ্রম খাতে চলমান সংস্কার কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিতে সরকার ও আইএলওর সহযোগিতা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করা, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও বিস্তর আলোচনা হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমিকবান্ধব, নিরাপদ ও টেকসই কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আইএলও মহাপরিচালকও বাংলাদেশের সঙ্গে সংস্থাটির বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং শ্রম খাতের টেকসই উন্নয়নে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।[TECHTARANGA-POST:2231

গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (জাতিসংঘ) মো. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনোঁ (Max Tuñón) এবং আইএলও সদর দপ্তর জেনেভার মহাপরিচালকের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিতোমি নাকাগোমে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল