ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক)-এর ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডিএমসি-ডে ২০২৬’ এবং বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী গুলশানের বাসভবন থেকে নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছান। এ সময় তাঁর সাথে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান। পরে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহীদ মিলন চত্বরে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে দেশের ১০টি সরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ১৯টি হোস্টেল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের একটি বিশেষ উপস্থাপনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে প্রদর্শন করা হয়। এই বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে দুটি অত্যাধুনিক ছাত্রী হোস্টেল নির্মাণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রকল্পটির নকশা ও বিভিন্ন কারিগরি দিক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেন এবং কাজের গুণগত মান বজায় রাখার তাগিদ দেন।
আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কলেজ ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে একটি স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন। এরপর তিনি ‘ডিএমসি-ডে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক একটি বিশেষ আলোচনা সভায় অংশ নেন।
আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্য খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের (ডিএমসিয়ান) ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সাথে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে উপস্থিত চিকিৎসক ও চিকিৎসা গবেষকদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক)-এর ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডিএমসি-ডে ২০২৬’ এবং বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী গুলশানের বাসভবন থেকে নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছান। এ সময় তাঁর সাথে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান। পরে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহীদ মিলন চত্বরে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে দেশের ১০টি সরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ১৯টি হোস্টেল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের একটি বিশেষ উপস্থাপনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে প্রদর্শন করা হয়। এই বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে দুটি অত্যাধুনিক ছাত্রী হোস্টেল নির্মাণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রকল্পটির নকশা ও বিভিন্ন কারিগরি দিক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেন এবং কাজের গুণগত মান বজায় রাখার তাগিদ দেন।
আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কলেজ ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে একটি স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন। এরপর তিনি ‘ডিএমসি-ডে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক একটি বিশেষ আলোচনা সভায় অংশ নেন।
আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্য খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের (ডিএমসিয়ান) ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সাথে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে উপস্থিত চিকিৎসক ও চিকিৎসা গবেষকদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

আপনার মতামত লিখুন