চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ-চাকপাড়া সীমান্তে ফ্লাডলাইট বন্ধ করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইনের (জোরপূর্বক সীমান্ত পারাপার) চেষ্টা চালানোর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ১৮৪/৩-এস সীমান্ত পিলারের কাছে এই ঘটনা ঘটে। বিএসএফের এই অনাকাঙ্ক্ষিত তৎপরতার পর ৫৯ বিজিবির জোয়ানরা সীমান্তে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় শতাধিক সাধারণ জনতাও লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারায় যোগ দেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সীমান্ত এলাকা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে আকস্মিকভাবে সীমান্তের ভারতীয় অংশের শক্তিশালী ফ্লাডলাইটগুলো কয়েক দফা নিভিয়ে ফেলা হয়। আলো আঁধারির এই রহস্যজনক পরিস্থিতি নিয়ে সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে নির্ভরযোগ্য সূত্রে ভারতীয় সীমান্ত থেকে বাংলাদেশে পুশইনের একটি গোপন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পাওয়া মাত্রই ৫৯ বিজিবির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধের প্রস্তুতিতে পজিশন নেন। বিজিবির এই দ্রুত তৎপরতা দেখে আশেপাশের গ্রামগুলোর শতাধিক বাসিন্দা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সীমান্তে ছুটে আসেন এবং যেকোনো মূল্যে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করতে বিজিবির কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাহারা শুরু করেন।
৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, "ভারতীয় সীমান্তের ফ্লাডলাইটগুলো রাতে কয়েক দফা পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা স্বাভাবিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বাইরে। তবে ঠিক কী কারণে বিএসএফ ফ্লাডলাইটগুলো বন্ধ করেছিল, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।"
তিনি আরও স্পষ্ট ভাষায় হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, "সম্ভাব্য পুশইনের আশঙ্কায় বাংলাদেশ সীমান্তে আমাদের টহল ও সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি শতভাগ প্রস্তুত। আমাদের সীমান্ত দিয়ে কোনো অবস্থাতেই একজন মানুষকেও অবৈধভাবে পুশইন করতে দেওয়া হবে না। আমরা সীমান্তের পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তের জন্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।" বিজিবি ও জনতার এই কঠোর ও অনড় অবস্থানের কারণে গভীর রাতে বিএসএফ তাদের ফ্লাডলাইট পুনরায় সচল করতে বাধ্য হয় এবং পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয়।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ-চাকপাড়া সীমান্তে ফ্লাডলাইট বন্ধ করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইনের (জোরপূর্বক সীমান্ত পারাপার) চেষ্টা চালানোর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ১৮৪/৩-এস সীমান্ত পিলারের কাছে এই ঘটনা ঘটে। বিএসএফের এই অনাকাঙ্ক্ষিত তৎপরতার পর ৫৯ বিজিবির জোয়ানরা সীমান্তে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় শতাধিক সাধারণ জনতাও লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারায় যোগ দেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সীমান্ত এলাকা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে আকস্মিকভাবে সীমান্তের ভারতীয় অংশের শক্তিশালী ফ্লাডলাইটগুলো কয়েক দফা নিভিয়ে ফেলা হয়। আলো আঁধারির এই রহস্যজনক পরিস্থিতি নিয়ে সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে নির্ভরযোগ্য সূত্রে ভারতীয় সীমান্ত থেকে বাংলাদেশে পুশইনের একটি গোপন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পাওয়া মাত্রই ৫৯ বিজিবির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধের প্রস্তুতিতে পজিশন নেন। বিজিবির এই দ্রুত তৎপরতা দেখে আশেপাশের গ্রামগুলোর শতাধিক বাসিন্দা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সীমান্তে ছুটে আসেন এবং যেকোনো মূল্যে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করতে বিজিবির কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাহারা শুরু করেন।
৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, "ভারতীয় সীমান্তের ফ্লাডলাইটগুলো রাতে কয়েক দফা পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা স্বাভাবিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বাইরে। তবে ঠিক কী কারণে বিএসএফ ফ্লাডলাইটগুলো বন্ধ করেছিল, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।"
তিনি আরও স্পষ্ট ভাষায় হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, "সম্ভাব্য পুশইনের আশঙ্কায় বাংলাদেশ সীমান্তে আমাদের টহল ও সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি শতভাগ প্রস্তুত। আমাদের সীমান্ত দিয়ে কোনো অবস্থাতেই একজন মানুষকেও অবৈধভাবে পুশইন করতে দেওয়া হবে না। আমরা সীমান্তের পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তের জন্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।" বিজিবি ও জনতার এই কঠোর ও অনড় অবস্থানের কারণে গভীর রাতে বিএসএফ তাদের ফ্লাডলাইট পুনরায় সচল করতে বাধ্য হয় এবং পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয়।

আপনার মতামত লিখুন