রাজবাড়ীর পাংশায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জামিন বিশ্বাস (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত জামিন বিশ্বাস উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের হোসেন আলী বিশ্বাসের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে উপজেলার কশবামাজাইল ইউনিয়নের দড়ি-বাংলাট ও পাট্রা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে জামিন বিশ্বাস গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হলে রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাট্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আকিদুল ইসলাম জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের সূত্রপাত।
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে ওই এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
রাজবাড়ীর পাংশায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জামিন বিশ্বাস (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত জামিন বিশ্বাস উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের হোসেন আলী বিশ্বাসের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে উপজেলার কশবামাজাইল ইউনিয়নের দড়ি-বাংলাট ও পাট্রা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে জামিন বিশ্বাস গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হলে রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাট্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আকিদুল ইসলাম জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের সূত্রপাত।
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে ওই এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন