দুই দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। মালয়েশিয়াকে প্রথম গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়ার মাধ্যমে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সুগভীর সম্পর্কের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।
আজ সকালে পুত্রাজায়ার পেরদানা পুত্রায় পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক ও আড়ম্বরপূর্ণভাবে স্বাগত জানানো হয়। তাঁর সম্মানে আয়োজন করা হয় এক বিশেষ সামরিক কুচকাওয়াজ। মালয়েশিয়ার রয়্যাল মালায় রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটালিয়নের ১০৫ জন সদস্য এবং তিনজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত চৌকস দল তাঁকে গার্ড অফ অনার প্রদান করে। এই আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনায় নেতৃত্ব দেন মেজর নূর আহমদ জাইম জাহারী।
সফররত প্রধানমন্ত্রীর সাথে একান্ত আলাপকালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম উষ্ণ সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদেশ সফরের প্রথম গন্তব্য হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়ায় আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক সাধুবাদ জানাই। এটি মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অটুট বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক আস্থার এক অনন্য প্রতিফলন, যা আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত সম্মানের।”
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফরটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক যাত্রা নয়, বরং দুই দেশের অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি বড় সুযোগ। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে এই সফরে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার কথা রয়েছে, যার মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুই দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি নতুন ও শক্তিশালী অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
দুই দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। মালয়েশিয়াকে প্রথম গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়ার মাধ্যমে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সুগভীর সম্পর্কের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।
আজ সকালে পুত্রাজায়ার পেরদানা পুত্রায় পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক ও আড়ম্বরপূর্ণভাবে স্বাগত জানানো হয়। তাঁর সম্মানে আয়োজন করা হয় এক বিশেষ সামরিক কুচকাওয়াজ। মালয়েশিয়ার রয়্যাল মালায় রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটালিয়নের ১০৫ জন সদস্য এবং তিনজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত চৌকস দল তাঁকে গার্ড অফ অনার প্রদান করে। এই আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনায় নেতৃত্ব দেন মেজর নূর আহমদ জাইম জাহারী।
সফররত প্রধানমন্ত্রীর সাথে একান্ত আলাপকালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম উষ্ণ সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদেশ সফরের প্রথম গন্তব্য হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়ায় আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক সাধুবাদ জানাই। এটি মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অটুট বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক আস্থার এক অনন্য প্রতিফলন, যা আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত সম্মানের।”
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফরটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক যাত্রা নয়, বরং দুই দেশের অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি বড় সুযোগ। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে এই সফরে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার কথা রয়েছে, যার মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুই দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি নতুন ও শক্তিশালী অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

আপনার মতামত লিখুন