মোবাইল ব্যবহারে আমরা ক্লান্ত হই না কেন? আসক্তি দূর করার জন্য এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে।আমাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য চিন্তাভাবনা করে বিভিন্ন লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে হয়।আর এইসব ব্যাপারে মানুষ উদাসীন। কারণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা একটি জটিল কাজ।
অপরদিকে মোবাইল ব্যবহার করা শুরু করলে মানুষ সাময়িকভাবে সকল চিন্তা ভুলে যায়। মোবাইলে বিভিন্ন প্রোগ্রাম, ভিডিও, গেম ইত্যাদি তাকে সামনে কি হবে এই একটি বিষয়ের উপর মনোযোগ আটকে রাখে।এক্ষেত্রে নিজের সচেতনতাই সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
প্রতিটি নোটিফিকেশন আপনার মনোযোগ ভেঙে দিতে পারে। তাই যেসব অ্যাপের নোটিফিকেশন জরুরি নয়, সেগুলো বন্ধ করে দিন।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে বারবার ফোন হাতে নেওয়ার প্রবণতা কমতে পারে।
২. ফোন ব্যবহারের নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন
“আজ কম ব্যবহার করব”—এমন সিদ্ধান্ত অনেক সময় কাজে আসে না।
এর বদলে নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন। যেমন, পড়াশোনা বা কাজের সময় ফোন দূরে রাখা এবং নির্দিষ্ট বিরতিতে ফোন দেখা।
৩. ঘুমানোর আগে ফোন থেকে দূরে থাকুন
বিছানায় যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় স্ক্রল করার অভ্যাস ঘুমের সময় পিছিয়ে দিতে পারে। তাই ঘুমানোর আগে কিছু সময় ফোন থেকে দূরে থাকার অভ্যাস তৈরি করুন।
এই সময় বই পড়া, পরিবারের সঙ্গে কথা বলা কিংবা পরের দিনের কাজের পরিকল্পনা করা যেতে পারে।
৪. ফোনকে হাতের নাগালের বাইরে রাখুন
ফোন হাতে নেওয়ার আগে নিজেকে একটি প্রশ্ন করুন:
“আমি এখন ফোনটি কেন ধরছি?”
যদি নির্দিষ্ট কোনো কাজ না থাকে, তাহলে ফোনটি আবার রেখে দিন।
৬. অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ কমিয়ে দিন
যেসব অ্যাপ আপনার সময় বেশি নিয়ে যাচ্ছে কিন্তু বাস্তব কোনো প্রয়োজন পূরণ করছে না, সেগুলোর ব্যবহার কমান বা সরিয়ে দিন।
হোমস্ক্রিনে শুধু প্রয়োজনীয় অ্যাপ রাখলেও ফোন ব্যবহারের ধরন বদলাতে পারে।
৭. একদিনে সব পরিবর্তন করতে যাবেন না
মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস দীর্ঘদিনের হলে একদিনেই সেটি পুরোপুরি পরিবর্তন করা কঠিন।
প্রথমে প্রতিদিন ৩০ মিনিট কমানোর লক্ষ্য নিতে পারেন। এরপর ধীরে ধীরে নিজের জন্য একটি বাস্তবসম্মত ব্যবহার-রুটিন তৈরি করুন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মোবাইল নিজে সমস্যা নয়। সমস্যা তৈরি হয় যখন আমরা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সময় এমন কাজে ব্যয় করি, যার কোনো বাস্তব মূল্য নেই।
তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত মোবাইলকে ছেড়ে দেওয়া নয়, মোবাইলের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনা।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
মোবাইল ব্যবহারে আমরা ক্লান্ত হই না কেন? আসক্তি দূর করার জন্য এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে।আমাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য চিন্তাভাবনা করে বিভিন্ন লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে হয়।আর এইসব ব্যাপারে মানুষ উদাসীন। কারণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা একটি জটিল কাজ।
অপরদিকে মোবাইল ব্যবহার করা শুরু করলে মানুষ সাময়িকভাবে সকল চিন্তা ভুলে যায়। মোবাইলে বিভিন্ন প্রোগ্রাম, ভিডিও, গেম ইত্যাদি তাকে সামনে কি হবে এই একটি বিষয়ের উপর মনোযোগ আটকে রাখে।এক্ষেত্রে নিজের সচেতনতাই সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
প্রতিটি নোটিফিকেশন আপনার মনোযোগ ভেঙে দিতে পারে। তাই যেসব অ্যাপের নোটিফিকেশন জরুরি নয়, সেগুলো বন্ধ করে দিন।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে বারবার ফোন হাতে নেওয়ার প্রবণতা কমতে পারে।
২. ফোন ব্যবহারের নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন
“আজ কম ব্যবহার করব”—এমন সিদ্ধান্ত অনেক সময় কাজে আসে না।
এর বদলে নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন। যেমন, পড়াশোনা বা কাজের সময় ফোন দূরে রাখা এবং নির্দিষ্ট বিরতিতে ফোন দেখা।
৩. ঘুমানোর আগে ফোন থেকে দূরে থাকুন
বিছানায় যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় স্ক্রল করার অভ্যাস ঘুমের সময় পিছিয়ে দিতে পারে। তাই ঘুমানোর আগে কিছু সময় ফোন থেকে দূরে থাকার অভ্যাস তৈরি করুন।
এই সময় বই পড়া, পরিবারের সঙ্গে কথা বলা কিংবা পরের দিনের কাজের পরিকল্পনা করা যেতে পারে।
৪. ফোনকে হাতের নাগালের বাইরে রাখুন
ফোন হাতে নেওয়ার আগে নিজেকে একটি প্রশ্ন করুন:
“আমি এখন ফোনটি কেন ধরছি?”
যদি নির্দিষ্ট কোনো কাজ না থাকে, তাহলে ফোনটি আবার রেখে দিন।
৬. অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ কমিয়ে দিন
যেসব অ্যাপ আপনার সময় বেশি নিয়ে যাচ্ছে কিন্তু বাস্তব কোনো প্রয়োজন পূরণ করছে না, সেগুলোর ব্যবহার কমান বা সরিয়ে দিন।
হোমস্ক্রিনে শুধু প্রয়োজনীয় অ্যাপ রাখলেও ফোন ব্যবহারের ধরন বদলাতে পারে।
৭. একদিনে সব পরিবর্তন করতে যাবেন না
মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস দীর্ঘদিনের হলে একদিনেই সেটি পুরোপুরি পরিবর্তন করা কঠিন।
প্রথমে প্রতিদিন ৩০ মিনিট কমানোর লক্ষ্য নিতে পারেন। এরপর ধীরে ধীরে নিজের জন্য একটি বাস্তবসম্মত ব্যবহার-রুটিন তৈরি করুন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মোবাইল নিজে সমস্যা নয়। সমস্যা তৈরি হয় যখন আমরা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সময় এমন কাজে ব্যয় করি, যার কোনো বাস্তব মূল্য নেই।
তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত মোবাইলকে ছেড়ে দেওয়া নয়, মোবাইলের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনা।

আপনার মতামত লিখুন