শেরপুরে বসতঘরের মেঝেতে গোপনে দাফন করা এক বৃদ্ধের মরদেহ প্রায় সাড়ে চার মাস পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগণের দাবির মুখে সামাজিক কবরস্থানের জন্য জমি কিনে সেখানে তাঁর মরদেহ পুনরায় মহাসমারোহে দাফন করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) শেরপুর সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কসবা গ্রামের একটি বাড়িতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে আদালতের নির্দেশে এ মরদেহ উত্তোলনের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাড়ে চার মাস আগে ওই এলাকার মৃত ইব্রাহিম খলিল নামের এক বৃদ্ধ মারা যান। তাঁর স্বজনেরা কোনো ধরনের ধর্মীয় বা সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা না করে এবং কবরস্থানে না নিয়ে বাড়ির বসতঘরের ভেতর মেঝের তলায় তাঁকে দাফন করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় মুরুব্বি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় ও প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে আজ ঘর খুঁড়ে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে জনকল্যাণে গোরস্থানের জন্য নতুন জমি ক্রয় করা হয় এবং সেই জমিতেই ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী ওই বৃদ্ধের মরদেহ পুনরায় পূর্ণ মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: শেরপুর প্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসন

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
শেরপুরে বসতঘরের মেঝেতে গোপনে দাফন করা এক বৃদ্ধের মরদেহ প্রায় সাড়ে চার মাস পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগণের দাবির মুখে সামাজিক কবরস্থানের জন্য জমি কিনে সেখানে তাঁর মরদেহ পুনরায় মহাসমারোহে দাফন করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) শেরপুর সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কসবা গ্রামের একটি বাড়িতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে আদালতের নির্দেশে এ মরদেহ উত্তোলনের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাড়ে চার মাস আগে ওই এলাকার মৃত ইব্রাহিম খলিল নামের এক বৃদ্ধ মারা যান। তাঁর স্বজনেরা কোনো ধরনের ধর্মীয় বা সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা না করে এবং কবরস্থানে না নিয়ে বাড়ির বসতঘরের ভেতর মেঝের তলায় তাঁকে দাফন করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় মুরুব্বি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় ও প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে আজ ঘর খুঁড়ে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে জনকল্যাণে গোরস্থানের জন্য নতুন জমি ক্রয় করা হয় এবং সেই জমিতেই ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী ওই বৃদ্ধের মরদেহ পুনরায় পূর্ণ মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: শেরপুর প্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসন

আপনার মতামত লিখুন