নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে রাসেল (৪০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ঘারমোড়া এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল ওই এলাকার মৃত শেখ আহামদ মিয়ার ছেলে।
স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি বাড়ি থেকে রাসেলকে ডেকে বা জোরপূর্বক তুলে নিয়ে পাশের বাঁশবাগানে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর ও গলায়-শরীরে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। এ সময় নিহতের পরিবারের সদস্যরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, নিহত রাসেল এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে গত কয়েকদিন আগেই তিনি একটি মাদক মামলায় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ব্যবসার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বা পূর্ববিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে রাসেল (৪০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ঘারমোড়া এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল ওই এলাকার মৃত শেখ আহামদ মিয়ার ছেলে।
স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি বাড়ি থেকে রাসেলকে ডেকে বা জোরপূর্বক তুলে নিয়ে পাশের বাঁশবাগানে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর ও গলায়-শরীরে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। এ সময় নিহতের পরিবারের সদস্যরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, নিহত রাসেল এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে গত কয়েকদিন আগেই তিনি একটি মাদক মামলায় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ব্যবসার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বা পূর্ববিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন