জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বালুবাহী ট্রাক্টর চলাচল নিয়ে বিরোধের জেরে ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা এবং তাঁর স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে জিয়া পরিষদের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন আলম (৪৭), তাঁর স্ত্রী মাহবুবা খাতুন (৪২) এবং অভিযুক্ত আতিয়ার রহমান সুমন আহত হয়ে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত আটটার পর উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের চক রোয়াইড় গ্রামের মোড়ে আজাদুলের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত আলমগীর হোসেন রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি এবং আতিয়ার রহমান উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোয়াইড় গ্রামে এক ব্যক্তির জমি থেকে প্রায় এক মাস ধরে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা হচ্ছিল। বালুবাহী ট্রাক্টর চলাচলের কারণে গ্রামের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয়দের পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানান বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন। বিষয়টি নিয়ে রুকিন্দীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম ছোয়াতের উপস্থিতিতে শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে উভয় পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা বৈঠকে বসার কথা ছিল।
আলমগীর হোসেনের ভাষ্য, শুক্রবার রাতে তিনি গ্রামবাসীকে শনিবারের বৈঠকের কথা জানাতে বের হলে চক রোয়াইড় গ্রামের মোড়ে আতিয়ার রহমানের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আতিয়ার তাঁকে ও বাঁচাতে আসা তাঁর স্ত্রীকে লক্ষ্য করে ছুরিকাঘাত করেন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। আলমগীরের আরও দাবি, বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়া এবং আতিয়ারের দাবি করা এক লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে।
তবে চাঁদা দাবি ও বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আতিয়ার রহমান। তাঁর পাল্টা দাবি, আলমগীর মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকায় তাঁকে নিষেধ করা হয়েছিল। ওই ক্ষোভ থেকে শুক্রবার রাতে আলমগীরই তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছেন।
রুকিন্দীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম ছোয়াত বিবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শনিবার দুই পক্ষকে নিয়ে সমাধানের জন্য বসার কথা থাকলেও তার আগেই রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান মাসুদ জানান, ছুরিকাঘাতের বিষয়টি পুলিশ জেনেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বালুবাহী ট্রাক্টর চলাচল নিয়ে বিরোধের জেরে ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা এবং তাঁর স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে জিয়া পরিষদের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন আলম (৪৭), তাঁর স্ত্রী মাহবুবা খাতুন (৪২) এবং অভিযুক্ত আতিয়ার রহমান সুমন আহত হয়ে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত আটটার পর উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের চক রোয়াইড় গ্রামের মোড়ে আজাদুলের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত আলমগীর হোসেন রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি এবং আতিয়ার রহমান উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোয়াইড় গ্রামে এক ব্যক্তির জমি থেকে প্রায় এক মাস ধরে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা হচ্ছিল। বালুবাহী ট্রাক্টর চলাচলের কারণে গ্রামের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয়দের পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানান বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন। বিষয়টি নিয়ে রুকিন্দীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম ছোয়াতের উপস্থিতিতে শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে উভয় পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা বৈঠকে বসার কথা ছিল।
আলমগীর হোসেনের ভাষ্য, শুক্রবার রাতে তিনি গ্রামবাসীকে শনিবারের বৈঠকের কথা জানাতে বের হলে চক রোয়াইড় গ্রামের মোড়ে আতিয়ার রহমানের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আতিয়ার তাঁকে ও বাঁচাতে আসা তাঁর স্ত্রীকে লক্ষ্য করে ছুরিকাঘাত করেন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। আলমগীরের আরও দাবি, বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়া এবং আতিয়ারের দাবি করা এক লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে।
তবে চাঁদা দাবি ও বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আতিয়ার রহমান। তাঁর পাল্টা দাবি, আলমগীর মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকায় তাঁকে নিষেধ করা হয়েছিল। ওই ক্ষোভ থেকে শুক্রবার রাতে আলমগীরই তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছেন।
রুকিন্দীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম ছোয়াত বিবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শনিবার দুই পক্ষকে নিয়ে সমাধানের জন্য বসার কথা থাকলেও তার আগেই রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান মাসুদ জানান, ছুরিকাঘাতের বিষয়টি পুলিশ জেনেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন