দেশের ৬৪ জেলার ৫০৩টি উপজেলার ১৪ হাজার ১৮০টি কৃষি ব্লকের প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষককে পর্যায়ক্রমে সমন্বিত ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই কার্ডের মাধ্যমে কার্ডধারী কৃষকেরা নগদ সহায়তা, সরকারি প্রণোদনা, ঋণ ও প্রযুক্তিগত পরামর্শসহ মোট ১০ ধরনের বহুমুখী সুবিধা পাবেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট স্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রকল্পের বিষদ রূপরেখা তুলে ধরেন কৃষি সচিব সেলিম খান।
কৃষি সচিব জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১৯ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে ৮ লাখ ৫০ হাজার হিসাব খোলা হয়েছে। আজ একই সঙ্গে দেশের ৫৬ জেলার ৭৭টি উপজেলায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫ জন কৃষককে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়। এর অংশ হিসেবে ফেনীর ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষকের হাতে সরাসরি কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।
কৃষক কার্ডের আওতায় ১০ সুবিধা: নগদ সহায়তা ও সরকারি প্রণোদনা সরাসরি ব্যাংক হিসাবে প্রদান, ন্যায্যমূল্যে সার-বীজসহ কৃষি উপকরণ ও সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, ভর্তুকি মূল্যে আধুনিক কৃষিযন্ত্র সরবরাহ, আগাম আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজারের হালনাগাদ তথ্য, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগবালাই দমনে তাৎক্ষণিক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় কৃষি বীমা, মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সরাসরি পণ্য বিক্রির সুযোগ এবং ড্রোন-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সুবিধা।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্তের আওতায় প্রায় ১৪ লাখ ৩৪ হাজার কৃষকের ১ হাজার ৩৫২ কোটি ৭৪ লাখ টাকার ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি চলতি অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৬০ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, বন ও পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
দেশের ৬৪ জেলার ৫০৩টি উপজেলার ১৪ হাজার ১৮০টি কৃষি ব্লকের প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষককে পর্যায়ক্রমে সমন্বিত ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই কার্ডের মাধ্যমে কার্ডধারী কৃষকেরা নগদ সহায়তা, সরকারি প্রণোদনা, ঋণ ও প্রযুক্তিগত পরামর্শসহ মোট ১০ ধরনের বহুমুখী সুবিধা পাবেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট স্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রকল্পের বিষদ রূপরেখা তুলে ধরেন কৃষি সচিব সেলিম খান।
কৃষি সচিব জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১৯ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে ৮ লাখ ৫০ হাজার হিসাব খোলা হয়েছে। আজ একই সঙ্গে দেশের ৫৬ জেলার ৭৭টি উপজেলায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫ জন কৃষককে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়। এর অংশ হিসেবে ফেনীর ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষকের হাতে সরাসরি কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।
কৃষক কার্ডের আওতায় ১০ সুবিধা: নগদ সহায়তা ও সরকারি প্রণোদনা সরাসরি ব্যাংক হিসাবে প্রদান, ন্যায্যমূল্যে সার-বীজসহ কৃষি উপকরণ ও সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, ভর্তুকি মূল্যে আধুনিক কৃষিযন্ত্র সরবরাহ, আগাম আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজারের হালনাগাদ তথ্য, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগবালাই দমনে তাৎক্ষণিক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় কৃষি বীমা, মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সরাসরি পণ্য বিক্রির সুযোগ এবং ড্রোন-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সুবিধা।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্তের আওতায় প্রায় ১৪ লাখ ৩৪ হাজার কৃষকের ১ হাজার ৩৫২ কোটি ৭৪ লাখ টাকার ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি চলতি অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৬০ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, বন ও পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

আপনার মতামত লিখুন