দিকপাল

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা, মৃত ৩৮৯ নিখোঁজ সহস্রাধিক


শামিমা লিয়া
শামিমা লিয়া আন্তর্জাতিক ডেস্ক এডিটর
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ | ১১:০৬ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা, মৃত ৩৮৯ নিখোঁজ সহস্রাধিক

নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্ত এলাকায় হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী আকস্মিক বন্যায় (Flash Flood) মৃতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে ৩৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এখনো এক হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ৭০০ জন বিদেশি ট্রেকার ও তীর্থযাত্রী বলে নিশ্চিত করেছে নেপাল পুলিশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স ও বিবিসি।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তিব্বত সীমান্তের কাছাকাছি হিমবাহ ধসের কারণে নদীপ্রবাহে বিশাল প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়ে একটি কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। উজানে পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় হ্রদটি যেকোনো মুহূর্তে ফেটে নতুন করে ভাটি অঞ্চলে ভয়াবহ প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি করেছে, যা উদ্ধার তৎপরতাকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।

পার্বত্য অঞ্চলের যোগাযোগ ও ট্রেকিং রুটগুলো সম্পূর্ণ ধসে পড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া হাজার হাজার মানুষের কাছে হেলিকপ্টারের সাহায্যে আকাশপথে তাঁবু, শুকনা খাবার, ওষুধ ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী ফেলা হচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জীবিতদের সন্ধানে সেনা ও পুলিশের পাশাপাশি উদ্ধারকারী দলগুলো নিরবচ্ছিন্ন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

দুর্যোগের কেন্দ্রস্থল রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার পরিস্থিতি সরজমিনে পরিদর্শন করে রাজধানী কাঠমান্ডুতে ফিরে এসেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় জানান, "পরিস্থিতি এখনো চরম সংকটজনক। উদ্ধার অভিযান, আহতদের সুচিকিৎসা প্রদান এবং নিখোঁজদের শনাক্তকরণে রাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্থা পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে। এই মুহূর্তে প্রতিটি মানুষের জীবন রক্ষাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।"

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬


নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা, মৃত ৩৮৯ নিখোঁজ সহস্রাধিক

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্ত এলাকায় হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী আকস্মিক বন্যায় (Flash Flood) মৃতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে ৩৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এখনো এক হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ৭০০ জন বিদেশি ট্রেকার ও তীর্থযাত্রী বলে নিশ্চিত করেছে নেপাল পুলিশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স ও বিবিসি।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তিব্বত সীমান্তের কাছাকাছি হিমবাহ ধসের কারণে নদীপ্রবাহে বিশাল প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়ে একটি কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। উজানে পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় হ্রদটি যেকোনো মুহূর্তে ফেটে নতুন করে ভাটি অঞ্চলে ভয়াবহ প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি করেছে, যা উদ্ধার তৎপরতাকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।

পার্বত্য অঞ্চলের যোগাযোগ ও ট্রেকিং রুটগুলো সম্পূর্ণ ধসে পড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া হাজার হাজার মানুষের কাছে হেলিকপ্টারের সাহায্যে আকাশপথে তাঁবু, শুকনা খাবার, ওষুধ ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী ফেলা হচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জীবিতদের সন্ধানে সেনা ও পুলিশের পাশাপাশি উদ্ধারকারী দলগুলো নিরবচ্ছিন্ন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

দুর্যোগের কেন্দ্রস্থল রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার পরিস্থিতি সরজমিনে পরিদর্শন করে রাজধানী কাঠমান্ডুতে ফিরে এসেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় জানান, "পরিস্থিতি এখনো চরম সংকটজনক। উদ্ধার অভিযান, আহতদের সুচিকিৎসা প্রদান এবং নিখোঁজদের শনাক্তকরণে রাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্থা পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে। এই মুহূর্তে প্রতিটি মানুষের জীবন রক্ষাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।"


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল