মাঠে গতি, ড্রিবলিং আর নৈপুণ্যে ভক্তদের মুগ্ধ করা ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে। কসমেটিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিজের মুখমণ্ডলের গঠনে দৃশ্যমান পরিবর্তন এনেছেন তিনি।
২৬ বছর বয়সি এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ‘চিন হারমোনাইজেশন’ নামে পরিচিত একটি নান্দনিক সৌন্দর্যবর্ধন চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। অস্ত্রোপচার ছাড়াই ফিলার ব্যবহারের মাধ্যমে করা এই চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য হলো মুখের সার্বিক অবয়বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে থুতনি ও চোয়ালের গঠনকে আরও ধারালো ও আকর্ষণীয় করে তোলা।
গইয়ানিয়ার একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাটি সম্পন্ন করা হয়। ব্রাজিলের এই ক্লিনিকে ভিনিসিয়ুসের চিকিৎসা সেবা দিতে বিশেষভাবে আনা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিভিত্তিক প্রখ্যাত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ আলেসান্দ্রো আলারকাওকে।
চিকিৎসার পর ভিনিসিয়ুসের নতুন লুকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা নেটদুনিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই মজার ছলে মন্তব্য করেছেন যে, থুতনি ও চোয়ালের এই পরিবর্তনের পর তাঁকে এখন ব্রাজিল ও চেলসির সাবেক মিডফিল্ডার রামিরেসের মতো দেখাচ্ছে। ভক্তদের এমন রসাত্মক আলোচনায় স্বয়ং রামিরেস নিজেও যোগ দিয়েছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের হতাশাজনক অধ্যায় শেষে এই চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেন ভিনিসিয়ুস। তবে জাতীয় দলের ব্যর্থতার মধ্যেও টুর্নামেন্টে ব্যক্তিগতভাবে উজ্জ্বল ছিলেন তিনি—৫ ম্যাচে ৪টি গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট করে ব্রাজিলের সেরা পারফরমার ছিলেন এই তারকা।
বিশ্বকাপের পাঠ চুকিয়ে ভিনিসিয়ুস এখন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে পরবর্তী মৌসুমের প্রস্তুতির দিকে নজর দিচ্ছেন। মাদ্রিদের সাথে তাঁর চুক্তির মেয়াদ আর এক বছর বাকি থাকলেও ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ ইতোমধ্যে ব্রাজিলিয়ান এই তারকার সাথে দীর্ঘমেয়াদি নতুন চুক্তির ইঙ্গিত দিয়েছেন।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
মাঠে গতি, ড্রিবলিং আর নৈপুণ্যে ভক্তদের মুগ্ধ করা ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে। কসমেটিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিজের মুখমণ্ডলের গঠনে দৃশ্যমান পরিবর্তন এনেছেন তিনি।
২৬ বছর বয়সি এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ‘চিন হারমোনাইজেশন’ নামে পরিচিত একটি নান্দনিক সৌন্দর্যবর্ধন চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। অস্ত্রোপচার ছাড়াই ফিলার ব্যবহারের মাধ্যমে করা এই চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য হলো মুখের সার্বিক অবয়বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে থুতনি ও চোয়ালের গঠনকে আরও ধারালো ও আকর্ষণীয় করে তোলা।
গইয়ানিয়ার একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাটি সম্পন্ন করা হয়। ব্রাজিলের এই ক্লিনিকে ভিনিসিয়ুসের চিকিৎসা সেবা দিতে বিশেষভাবে আনা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিভিত্তিক প্রখ্যাত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ আলেসান্দ্রো আলারকাওকে।
চিকিৎসার পর ভিনিসিয়ুসের নতুন লুকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা নেটদুনিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই মজার ছলে মন্তব্য করেছেন যে, থুতনি ও চোয়ালের এই পরিবর্তনের পর তাঁকে এখন ব্রাজিল ও চেলসির সাবেক মিডফিল্ডার রামিরেসের মতো দেখাচ্ছে। ভক্তদের এমন রসাত্মক আলোচনায় স্বয়ং রামিরেস নিজেও যোগ দিয়েছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের হতাশাজনক অধ্যায় শেষে এই চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেন ভিনিসিয়ুস। তবে জাতীয় দলের ব্যর্থতার মধ্যেও টুর্নামেন্টে ব্যক্তিগতভাবে উজ্জ্বল ছিলেন তিনি—৫ ম্যাচে ৪টি গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট করে ব্রাজিলের সেরা পারফরমার ছিলেন এই তারকা।
বিশ্বকাপের পাঠ চুকিয়ে ভিনিসিয়ুস এখন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে পরবর্তী মৌসুমের প্রস্তুতির দিকে নজর দিচ্ছেন। মাদ্রিদের সাথে তাঁর চুক্তির মেয়াদ আর এক বছর বাকি থাকলেও ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ ইতোমধ্যে ব্রাজিলিয়ান এই তারকার সাথে দীর্ঘমেয়াদি নতুন চুক্তির ইঙ্গিত দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন