ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে অবিলম্ব কার্যকর ক্ষমতাসম্পন্ন এক নৌ-অবরোধ ও সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে।
আজ সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেন।
হুতিদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সৌদি আরব কর্তৃক ইয়েমেনের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে রাখা এবং গত সপ্তাহে সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি বাহিনীর হামলার সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা এই নৌ-নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
অবরোধ ঘোষণার পাশাপাশি হুতিরা তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ‘সাধারণ সংহতি’ বা সর্বাত্মক যুদ্ধপ্রস্তুতির ডাক দিয়েছে। বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, “সৌদি শত্রু পক্ষ যদি কোনো ধরনের হঠকারিতা বা উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে তার জবাব দেওয়া হবে অত্যন্ত কঠোর ও সর্বাত্মক উপায়ে।”
এই আকস্মিক নৌ-অবরোধের ঘোষণার পর লোহিত সাগর দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বা তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ওলন্দাজ ও মার্কিন জ্বালানি বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের (WTI) দাম তাৎক্ষণিকভাবে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলতি বছরের জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার প্রাথমিক শান্তি সমঝোতা ভেস্তে যাওয়া এবং গত ৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক সেই সমঝোতা বাতিলের ঘোষণার পর থেকে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য জুড়েই নতুন করে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। হুতিদের এই নৌ-অবরোধ কীভাবে কার্যকর করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো না হলেও, হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে চলাচলকারী সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা এখন বড় ঝুঁকিতে পড়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে অবিলম্ব কার্যকর ক্ষমতাসম্পন্ন এক নৌ-অবরোধ ও সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে।
আজ সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেন।
হুতিদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সৌদি আরব কর্তৃক ইয়েমেনের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে রাখা এবং গত সপ্তাহে সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি বাহিনীর হামলার সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা এই নৌ-নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
অবরোধ ঘোষণার পাশাপাশি হুতিরা তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ‘সাধারণ সংহতি’ বা সর্বাত্মক যুদ্ধপ্রস্তুতির ডাক দিয়েছে। বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, “সৌদি শত্রু পক্ষ যদি কোনো ধরনের হঠকারিতা বা উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে তার জবাব দেওয়া হবে অত্যন্ত কঠোর ও সর্বাত্মক উপায়ে।”
এই আকস্মিক নৌ-অবরোধের ঘোষণার পর লোহিত সাগর দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বা তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ওলন্দাজ ও মার্কিন জ্বালানি বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের (WTI) দাম তাৎক্ষণিকভাবে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলতি বছরের জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার প্রাথমিক শান্তি সমঝোতা ভেস্তে যাওয়া এবং গত ৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক সেই সমঝোতা বাতিলের ঘোষণার পর থেকে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য জুড়েই নতুন করে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। হুতিদের এই নৌ-অবরোধ কীভাবে কার্যকর করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো না হলেও, হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে চলাচলকারী সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা এখন বড় ঝুঁকিতে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন