দিকপাল

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট


ইয়াসরির মাহবুব
ইয়াসরির মাহবুব স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ | ০৬:৩৩ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সংসদ ভবন অভিমুখে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে যন্তর-মন্তর এলাকা থেকে সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সংসদ ভবন এলাকায় মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আন্দোলনকারীরা।

সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) সকাল থেকেই পুলিশের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যন্তর-মন্তর এলাকায় বিপুলসংখ্যক সমর্থক জড়ো হন। তারা ব্যারিকেড ভেঙে সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও আন্দোলনকারীদের হটিয়ে দিতে মূল ভেন্যুতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (র‌্যাফ) মোতায়েন করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ না হয়ে সড়কেই বসে অবস্থান নেন। এ সময় কয়েকজনকে আটকও করে পুলিশ।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে আন্দোলনের লাইভ আপডেট, ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে না পারে। এছাড়া আন্দোলনস্থলে সিগন্যাল জ্যামার ব্যবহারের কারণেও মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন তারা। তবে ইন্টারনেট বন্ধ ও জ্যামার ব্যবহারের এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সংসদ ভবন অভিমুখে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে যন্তর-মন্তর এলাকা থেকে সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সংসদ ভবন এলাকায় মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আন্দোলনকারীরা।

সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) সকাল থেকেই পুলিশের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যন্তর-মন্তর এলাকায় বিপুলসংখ্যক সমর্থক জড়ো হন। তারা ব্যারিকেড ভেঙে সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও আন্দোলনকারীদের হটিয়ে দিতে মূল ভেন্যুতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (র‌্যাফ) মোতায়েন করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ না হয়ে সড়কেই বসে অবস্থান নেন। এ সময় কয়েকজনকে আটকও করে পুলিশ।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে আন্দোলনের লাইভ আপডেট, ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে না পারে। এছাড়া আন্দোলনস্থলে সিগন্যাল জ্যামার ব্যবহারের কারণেও মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন তারা। তবে ইন্টারনেট বন্ধ ও জ্যামার ব্যবহারের এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানানো হয়েছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল