বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ রোববার (১৯ জুলাই) গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সফরে তুরস্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। ২০২৪ সালের জুনে দেশের সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক ও সরকারি তুরস্ক সফর।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই সফরে সেনাপ্রধানের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী এবং উচ্চপর্যায়ের ছয় সদস্যের একটি সরকারি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন নবনিযুক্ত ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, সেনাপ্রধানের মিলিটারি অ্যাসিস্ট্যান্ট, স্টাফ অফিসার, সেনাপ্রধানের এডিসি এবং ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির এডিসি।
আগামী ২০ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই সফরে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক আধুনিকায়ন, উচ্চতর প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত প্রতিরক্ষা প্রকল্প নিয়ে উভয় দেশের নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের সামরিক আধুনিকায়নের (ফোর্সেস গোল) অংশ হিসেবে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তুরস্ক থেকে বিশ্বখ্যাত ‘বায়রাক্তার টিবি-২’ (Bayraktar TB2) ড্রোন বা ইউএভি, অত্যাধুনিক আর্টিলারি সিস্টেম, উন্নত গোলাবারুদ ও অন্যান্য কৌশলগত সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছে। এর পাশাপাশি দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনাপ্রধানের এই হাই-প্রোফাইল সফরটি বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করতে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আগামীতে আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ রোববার (১৯ জুলাই) গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সফরে তুরস্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। ২০২৪ সালের জুনে দেশের সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক ও সরকারি তুরস্ক সফর।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই সফরে সেনাপ্রধানের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী এবং উচ্চপর্যায়ের ছয় সদস্যের একটি সরকারি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন নবনিযুক্ত ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, সেনাপ্রধানের মিলিটারি অ্যাসিস্ট্যান্ট, স্টাফ অফিসার, সেনাপ্রধানের এডিসি এবং ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির এডিসি।
আগামী ২০ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই সফরে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক আধুনিকায়ন, উচ্চতর প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত প্রতিরক্ষা প্রকল্প নিয়ে উভয় দেশের নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের সামরিক আধুনিকায়নের (ফোর্সেস গোল) অংশ হিসেবে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তুরস্ক থেকে বিশ্বখ্যাত ‘বায়রাক্তার টিবি-২’ (Bayraktar TB2) ড্রোন বা ইউএভি, অত্যাধুনিক আর্টিলারি সিস্টেম, উন্নত গোলাবারুদ ও অন্যান্য কৌশলগত সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছে। এর পাশাপাশি দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনাপ্রধানের এই হাই-প্রোফাইল সফরটি বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করতে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আগামীতে আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন