চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান (প্রথম পত্র) বিষয়ের প্রশ্নপত্রে সৃজনশীল অংশের দুটি প্রশ্নে ভুল থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সাথে ভুল থাকা ওই দুটি প্রশ্নের বিপরীতে পরীক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বা পূর্ণ নম্বর দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ফিজিক্সের (পদার্থবিজ্ঞান) প্রশ্নপত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ এবং ৭ নম্বর—এই দুটি প্রশ্ন ভুল হয়েছে। আমরা দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র চার মাস হলো। এই কোশ্চেন মডারেটররা আগের। সাধারণত প্রশ্ন মডারেট করতে হলে দুই বছর আগে থেকে প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়।”
তিনি আরও যোগ করেন, “তারপরও মন্ত্রণালয় হিসেবে আমরা আমাদের দায় স্বীকার করছি। এই বিষয়ের যে দুটি প্রশ্নে ভুল পাওয়া গেছে, তার জন্য শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ নম্বর (ফুল মার্কস) দিয়ে দেওয়া হবে।”
এর পাশাপাশি দেশজুড়ে চলমান চরম বৈরী আবহাওয়া, বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যেও পরীক্ষা চালু রাখার বিষয়ে সংসদে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় প্রশাসন এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সার্বিক মতামত ও রিপোর্টের ভিত্তিতেই এইচএসসি পরীক্ষা চলমান রাখার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান (প্রথম পত্র) বিষয়ের প্রশ্নপত্রে সৃজনশীল অংশের দুটি প্রশ্নে ভুল থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সাথে ভুল থাকা ওই দুটি প্রশ্নের বিপরীতে পরীক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বা পূর্ণ নম্বর দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ফিজিক্সের (পদার্থবিজ্ঞান) প্রশ্নপত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ এবং ৭ নম্বর—এই দুটি প্রশ্ন ভুল হয়েছে। আমরা দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র চার মাস হলো। এই কোশ্চেন মডারেটররা আগের। সাধারণত প্রশ্ন মডারেট করতে হলে দুই বছর আগে থেকে প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়।”
তিনি আরও যোগ করেন, “তারপরও মন্ত্রণালয় হিসেবে আমরা আমাদের দায় স্বীকার করছি। এই বিষয়ের যে দুটি প্রশ্নে ভুল পাওয়া গেছে, তার জন্য শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ নম্বর (ফুল মার্কস) দিয়ে দেওয়া হবে।”
এর পাশাপাশি দেশজুড়ে চলমান চরম বৈরী আবহাওয়া, বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যেও পরীক্ষা চালু রাখার বিষয়ে সংসদে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় প্রশাসন এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সার্বিক মতামত ও রিপোর্টের ভিত্তিতেই এইচএসসি পরীক্ষা চলমান রাখার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন