মিরসরাই ট্রাজেডির ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৩২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় এসব শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে স্কুলশিক্ষার্থীবাহী একটি মিনিট্রাক খাদে পড়ে ৪৫ জন নিহত হয়েছিলেন। তাঁর মতে, সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পরও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
সমিতির তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ৫৭টি দুর্ঘটনায় ৫৭ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৯টি দুর্ঘটনায় ৪৭ জন, মার্চে ৫৯টি দুর্ঘটনায় ৬৭ জন, এপ্রিলে ৫১টি দুর্ঘটনায় ৫৬ জন, মে মাসে ৬১টি দুর্ঘটনায় ৭৩ জন এবং জুনে ৫৩টি দুর্ঘটনায় ৬০ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের প্রাণহানি কমাতে পাঁচ দফা সুপারিশও করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে পাঠ্যবইয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সচেতনতামূলক সভার আয়োজন, মহাসড়কে জেব্রা ক্রসিং ও প্রয়োজনীয় সাইনবোর্ড স্থাপন, রোড সেইফটি গার্ড নিয়োগ এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা কমিটি গঠন।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
মিরসরাই ট্রাজেডির ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৩২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় এসব শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে স্কুলশিক্ষার্থীবাহী একটি মিনিট্রাক খাদে পড়ে ৪৫ জন নিহত হয়েছিলেন। তাঁর মতে, সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পরও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
সমিতির তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ৫৭টি দুর্ঘটনায় ৫৭ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৯টি দুর্ঘটনায় ৪৭ জন, মার্চে ৫৯টি দুর্ঘটনায় ৬৭ জন, এপ্রিলে ৫১টি দুর্ঘটনায় ৫৬ জন, মে মাসে ৬১টি দুর্ঘটনায় ৭৩ জন এবং জুনে ৫৩টি দুর্ঘটনায় ৬০ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের প্রাণহানি কমাতে পাঁচ দফা সুপারিশও করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে পাঠ্যবইয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সচেতনতামূলক সভার আয়োজন, মহাসড়কে জেব্রা ক্রসিং ও প্রয়োজনীয় সাইনবোর্ড স্থাপন, রোড সেইফটি গার্ড নিয়োগ এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা কমিটি গঠন।

আপনার মতামত লিখুন