সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও অবহেলিত অঞ্চলকে বাজেটে অগ্রাধিকার দিয়ে অন্তর্ভুক্ত না করলে প্রকৃত ইনসাফভিত্তিক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সাথে দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মানসম্পন্ন গবেষণার জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি বাজেট তখনই সত্যিকার অর্থে কল্যাণমুখী ও ইনসাফভিত্তিক হবে, যখন এর সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে। বাজেটের সুফল থেকে সমাজের কোনো অংশ বা অঞ্চলের মানুষ যেন বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষা ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই বাজেটের মূল দর্শন হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
বাজেট বক্তৃতায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন জামায়াতের আমীর। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়, বরং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। আর সেজন্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক মানের মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। মেধার যথাযথ মূল্যায়ন এবং গবেষণার পরিধি বাড়াতে আসন্ন বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির তাগিদ দেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার এই গঠনমূলক প্রস্তাব ও দাবিগুলো দেশের সামগ্রিক টেকসই উন্নয়ন, মেধা অন্বেষণ এবং সামাজিক সমতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও অবহেলিত অঞ্চলকে বাজেটে অগ্রাধিকার দিয়ে অন্তর্ভুক্ত না করলে প্রকৃত ইনসাফভিত্তিক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সাথে দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মানসম্পন্ন গবেষণার জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি বাজেট তখনই সত্যিকার অর্থে কল্যাণমুখী ও ইনসাফভিত্তিক হবে, যখন এর সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে। বাজেটের সুফল থেকে সমাজের কোনো অংশ বা অঞ্চলের মানুষ যেন বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষা ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই বাজেটের মূল দর্শন হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
বাজেট বক্তৃতায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন জামায়াতের আমীর। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়, বরং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। আর সেজন্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক মানের মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। মেধার যথাযথ মূল্যায়ন এবং গবেষণার পরিধি বাড়াতে আসন্ন বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির তাগিদ দেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার এই গঠনমূলক প্রস্তাব ও দাবিগুলো দেশের সামগ্রিক টেকসই উন্নয়ন, মেধা অন্বেষণ এবং সামাজিক সমতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন