দিকপাল

প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হচ্ছে ‘এল নিনো’: বাংলাদেশে শীতের তীব্রতা ও স্থায়ীত্ব নিয়ে জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের ভিন্নমত


পরিবেশ ও আবহাওয়া ডেস্ক
পরিবেশ ও আবহাওয়া ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | ০৯:২৫ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হচ্ছে ‘এল নিনো’: বাংলাদেশে শীতের তীব্রতা ও স্থায়ীত্ব নিয়ে জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের ভিন্নমত

প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী রূপ নিচ্ছে প্রাকৃতিক জলবায়ু প্রক্রিয়া ‘এল নিনো’। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ দিকে এটি চরম শক্তিশালী অবস্থায় পৌঁছাতে পারে এবং ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সক্রিয় থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক বিন্যাস বদলে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এবার বাংলাদেশে শীতের মেয়াদী প্রভাব ও তীব্রতা কেমন হবে, তা নিয়ে নানামুখী বিশ্লেষণ করছেন আবহাওয়াবিদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।

আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) আবহাওয়া সূত্রগুলোর বিশ্লেষণে দেখা যায়, এল নিনোর প্রভাবে ভারতীয় উপমহাদেশে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাপমাত্রা ও কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এর প্রভাবে দেশে শীতের স্থায়িত্ব কিছুটা কমতে পারে এবং গ্রীষ্মের বাইরেও উষ্ণ পরিবেশ বিরাজ করতে পারে। তবে বিশিষ্ট জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত জানান, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বৃদ্ধি সত্যি হলেও এল নিনোর কারণে নির্দিষ্ট করে বাংলাদেশে ঠিক কতটা উষ্ণতা বাড়বে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা কঠিন। এর মধ্যেই দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার লক্ষণ দেখা গেছে; হিমালয়ের পাদদেশের পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) সর্বনিম্ন ১৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের সম্ভাব্য পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের শেষ দিকে উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ডিসেম্বরের শুরুতে রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে শীতের পূর্ণ অনুভূতি তৈরি হতে পারে। সব মিলিয়ে এল নিনোর বৈশ্বিক প্রভাবে বাংলাদেশের শীতে মিশ্র পরিস্থিতির তৈরি হওয়ার বার্তা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।


সূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO), বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হচ্ছে ‘এল নিনো’: বাংলাদেশে শীতের তীব্রতা ও স্থায়ীত্ব নিয়ে জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের ভিন্নমত

প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী রূপ নিচ্ছে প্রাকৃতিক জলবায়ু প্রক্রিয়া ‘এল নিনো’। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ দিকে এটি চরম শক্তিশালী অবস্থায় পৌঁছাতে পারে এবং ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সক্রিয় থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক বিন্যাস বদলে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এবার বাংলাদেশে শীতের মেয়াদী প্রভাব ও তীব্রতা কেমন হবে, তা নিয়ে নানামুখী বিশ্লেষণ করছেন আবহাওয়াবিদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।

আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) আবহাওয়া সূত্রগুলোর বিশ্লেষণে দেখা যায়, এল নিনোর প্রভাবে ভারতীয় উপমহাদেশে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাপমাত্রা ও কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এর প্রভাবে দেশে শীতের স্থায়িত্ব কিছুটা কমতে পারে এবং গ্রীষ্মের বাইরেও উষ্ণ পরিবেশ বিরাজ করতে পারে। তবে বিশিষ্ট জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত জানান, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বৃদ্ধি সত্যি হলেও এল নিনোর কারণে নির্দিষ্ট করে বাংলাদেশে ঠিক কতটা উষ্ণতা বাড়বে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা কঠিন। এর মধ্যেই দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার লক্ষণ দেখা গেছে; হিমালয়ের পাদদেশের পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) সর্বনিম্ন ১৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের সম্ভাব্য পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের শেষ দিকে উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ডিসেম্বরের শুরুতে রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে শীতের পূর্ণ অনুভূতি তৈরি হতে পারে। সব মিলিয়ে এল নিনোর বৈশ্বিক প্রভাবে বাংলাদেশের শীতে মিশ্র পরিস্থিতির তৈরি হওয়ার বার্তা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।


সূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO), বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল