ভারতের মহারাষ্ট্রের ১ হাজার ৭০০ ফুট উঁচু কোনকানকাদা পাহাড় থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বিশ্বরাজসিংহ ময়ূরসিংহ গোহিল (২৫) নামের এক ভারতীয় যুবক। গুজরাটের বাসিন্দা ওই যুবক চরম মানসিক যন্ত্রণার মুখে আত্মহত্যার আগে ১৩ মিনিটের একটি ভিডিও রেকর্ড করেন। ওই ভিডিওতে তিনি তাঁর সাবেক স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও মানসিক হয়রানির নানা গুরুতর অভিযোগ তুলে গেছেন।
নিহত বিশ্বরাজসিংহ ময়ূরসিংহ গোহিল গুজরাটের ভাবনগরের বাসিন্দা ছিলেন এবং পেশায় ডাক বিভাগের একজন কর্মী ছিলেন।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্বরাজসিংহের বিয়ে হয়েছিল। তবে সেই দাম্পত্য জীবন স্থায়ী হয় মাত্র আট মাস। গত ১২ সেপ্টেম্বর তাঁর স্ত্রী যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন, যে মামলার শুনানিতে গত ৯ অক্টোবর ওই যুবক আদালতে হাজিরাও দিয়েছিলেন।
মৃত্যুর পূর্বে রেকর্ড করা ভিডিওবার্তায় বৈবাহিক সংকট এবং চলমান আইনি লড়াই নিয়ে নিজের তীব্র হতাশার কথা প্রকাশ করেন বিশ্বরাজসিংহ। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আজ আমি খাদে লাফিয়ে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি। যখন জীবনে আর কিছু বা কোনো আশাই অবশিষ্ট থাকে না... এবং যখন এই পরিস্থিতি কোনো ভালো সম্পর্ক থেকে তৈরি হয়, তখন তা আপনার আত্মাকে ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়।’
সাবেক স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি জানান, তাঁদের দৈনন্দিন সাধারণ মতবিরোধকেও মিথ্যাভাবে ‘পারিবারিক সহিংসতা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশ্বরাজসিংহ বলেন, ‘আমার বাড়িতে এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি, অথচ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে আমি, আমার মা এবং আমার ভাই আমার স্ত্রীকে মারধর করেছি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।’ মানসিক, আর্থিক ও সামাজিক চাপে তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া জোরপূর্বক স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া এবং নিজের ও পরিবারের ১৬ বছর বয়সি ছোট ভাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার বিষয়েও তিনি চরম হতাশা প্রকাশ করেন।
স্টাফ রিপোর্টার
সূত্র: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ও পুলিশ সূত্র

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের মহারাষ্ট্রের ১ হাজার ৭০০ ফুট উঁচু কোনকানকাদা পাহাড় থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বিশ্বরাজসিংহ ময়ূরসিংহ গোহিল (২৫) নামের এক ভারতীয় যুবক। গুজরাটের বাসিন্দা ওই যুবক চরম মানসিক যন্ত্রণার মুখে আত্মহত্যার আগে ১৩ মিনিটের একটি ভিডিও রেকর্ড করেন। ওই ভিডিওতে তিনি তাঁর সাবেক স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও মানসিক হয়রানির নানা গুরুতর অভিযোগ তুলে গেছেন।
নিহত বিশ্বরাজসিংহ ময়ূরসিংহ গোহিল গুজরাটের ভাবনগরের বাসিন্দা ছিলেন এবং পেশায় ডাক বিভাগের একজন কর্মী ছিলেন।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্বরাজসিংহের বিয়ে হয়েছিল। তবে সেই দাম্পত্য জীবন স্থায়ী হয় মাত্র আট মাস। গত ১২ সেপ্টেম্বর তাঁর স্ত্রী যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন, যে মামলার শুনানিতে গত ৯ অক্টোবর ওই যুবক আদালতে হাজিরাও দিয়েছিলেন।
মৃত্যুর পূর্বে রেকর্ড করা ভিডিওবার্তায় বৈবাহিক সংকট এবং চলমান আইনি লড়াই নিয়ে নিজের তীব্র হতাশার কথা প্রকাশ করেন বিশ্বরাজসিংহ। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আজ আমি খাদে লাফিয়ে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি। যখন জীবনে আর কিছু বা কোনো আশাই অবশিষ্ট থাকে না... এবং যখন এই পরিস্থিতি কোনো ভালো সম্পর্ক থেকে তৈরি হয়, তখন তা আপনার আত্মাকে ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়।’
সাবেক স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি জানান, তাঁদের দৈনন্দিন সাধারণ মতবিরোধকেও মিথ্যাভাবে ‘পারিবারিক সহিংসতা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশ্বরাজসিংহ বলেন, ‘আমার বাড়িতে এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি, অথচ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে আমি, আমার মা এবং আমার ভাই আমার স্ত্রীকে মারধর করেছি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।’ মানসিক, আর্থিক ও সামাজিক চাপে তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া জোরপূর্বক স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া এবং নিজের ও পরিবারের ১৬ বছর বয়সি ছোট ভাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার বিষয়েও তিনি চরম হতাশা প্রকাশ করেন।
স্টাফ রিপোর্টার
সূত্র: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ও পুলিশ সূত্র

আপনার মতামত লিখুন