সৌদি আরবের মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় কূটনৈতিক অবহিতকরণ ও আইনি বাধ্যবাধকতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা (এসপিএ) ও গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতার। তাঁদের বিরুদ্ধে মসজিদে পবিত্রতা ক্ষুণ্ন ও অশালীন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শরীয়াহ আইনের ‘তাআজির’ বিধানে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে রাজকীয় আদেশে তা কার্যকর করা হয়। তবে জেদ্দায় বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার বা বিচারিক প্রক্রিয়ার কোনো ধাপেই সৌদি কর্তৃপক্ষ দূতাবাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি।
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির এটিকে অভ্যন্তরীণ বিচারপ্রক্রিয়া হিসেবে দেখালেও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ড. রায়হান রশীদ জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে দূতাবাসকে না জানানো ভিয়েনা সনদের স্পষ্ট ব্যত্যয় হতে পারে। এদিকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই নাগরিকের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব কি না, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রক্রিয়া নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সূত্র: বিবিসি বাংলা ও সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় কূটনৈতিক অবহিতকরণ ও আইনি বাধ্যবাধকতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশ দূতাবাস কিংবা তাঁদের পরিবারকে অবহিত না করার বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আটক, বিচার ও সাজা বাস্তবায়নের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে আগাম না জানানো কনস্যুলার সম্পর্কবিষয়ক ১৯৬৩ সালের ভিয়েনা সনদের ৩৬ অনুচ্ছেদের স্পষ্ট লঙ্ঘন কি না—তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা (এসপিএ) ও গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতার। তাঁদের বিরুদ্ধে মসজিদে পবিত্রতা ক্ষুণ্ন ও অশালীন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শরীয়াহ আইনের ‘তাআজির’ বিধানে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে রাজকীয় আদেশে তা কার্যকর করা হয়। তবে জেদ্দায় বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার বা বিচারিক প্রক্রিয়ার কোনো ধাপেই সৌদি কর্তৃপক্ষ দূতাবাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি।
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির এটিকে অভ্যন্তরীণ বিচারপ্রক্রিয়া হিসেবে দেখালেও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ড. রায়হান রশীদ জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে দূতাবাসকে না জানানো ভিয়েনা সনদের স্পষ্ট ব্যত্যয় হতে পারে। এদিকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই নাগরিকের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব কি না, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রক্রিয়া নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সূত্র: বিবিসি বাংলা ও সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)

আপনার মতামত লিখুন