দিকপাল

নেপালের বন্যায় বাংলাদেশে ঝুঁকি কতটা? জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ | ০২:২৪ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

নেপালের বন্যায় বাংলাদেশে ঝুঁকি কতটা? জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

বাতাসে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পের কারণে তীব্র ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই দেশের চার বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সাথে সম্প্রতি নেপালে ঘটে যাওয়া প্রলয়ংকরী বন্যা ও হিমবাহ ধসের ঘটনায় বাংলাদেশে সরাসরি কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বস্ত করেছেন আবহাওয়াবিদেরা।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হলেও এতে স্বস্তি মেলেনি। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ভাদ্র মাসের স্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে বায়ুর ঘূর্ণয়ন (সার্কুলেশন) সৃষ্টি হওয়ায় এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। জলীয় বাষ্পের তাপ ধারণক্ষমতা বেশি হওয়ায় বৃষ্টি হলেও অস্বস্তিকর অনুভূতি ও গরম বহাল থাকছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই বৃষ্টির ধারা খুব বেশি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে বায়ু ঘূর্ণয়ন সক্রিয় থাকায় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে পরবর্তী তিন থেকে চার দিন ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

নেপালের ভয়াবহ বন্যার প্রভাবে বাংলাদেশে সার্বিক বন্যা ঝুঁকির বিষয়ে এই আবহাওয়াবিদ স্পষ্ট করেন যে, নেপালের দুর্যোগের প্রভাবে ভারতের কিছু অঞ্চলে প্রভাব পড়লেও বাংলাদেশে এর সরাসরি কোনো বড় ঝুঁকি নেই। হাওরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আসামে ভারী বৃষ্টিপাত হলে কিছু নিচু এলাকায় পানি নামতে পারে, তবে তাতে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬


নেপালের বন্যায় বাংলাদেশে ঝুঁকি কতটা? জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাতাসে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পের কারণে তীব্র ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই দেশের চার বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সাথে সম্প্রতি নেপালে ঘটে যাওয়া প্রলয়ংকরী বন্যা ও হিমবাহ ধসের ঘটনায় বাংলাদেশে সরাসরি কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বস্ত করেছেন আবহাওয়াবিদেরা।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হলেও এতে স্বস্তি মেলেনি। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ভাদ্র মাসের স্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে বায়ুর ঘূর্ণয়ন (সার্কুলেশন) সৃষ্টি হওয়ায় এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। জলীয় বাষ্পের তাপ ধারণক্ষমতা বেশি হওয়ায় বৃষ্টি হলেও অস্বস্তিকর অনুভূতি ও গরম বহাল থাকছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই বৃষ্টির ধারা খুব বেশি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে বায়ু ঘূর্ণয়ন সক্রিয় থাকায় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে পরবর্তী তিন থেকে চার দিন ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

নেপালের ভয়াবহ বন্যার প্রভাবে বাংলাদেশে সার্বিক বন্যা ঝুঁকির বিষয়ে এই আবহাওয়াবিদ স্পষ্ট করেন যে, নেপালের দুর্যোগের প্রভাবে ভারতের কিছু অঞ্চলে প্রভাব পড়লেও বাংলাদেশে এর সরাসরি কোনো বড় ঝুঁকি নেই। হাওরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আসামে ভারী বৃষ্টিপাত হলে কিছু নিচু এলাকায় পানি নামতে পারে, তবে তাতে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল