ব্যবসায়িক মন্দা এবং অভ্যন্তরীণ নানামুখী সংকটের জের ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে ‘ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস লিমিটেড’ কর্তৃপক্ষ। রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অবস্থিত কারখানাটির এই সিদ্ধান্ত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) থেকে কার্যকর হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাহবুবুল হাসান ফয়সাল কর্মীদের উদ্দেশে প্রেরিত এক আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে কারখানা বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিঠিতে তিনি জানান, কেবল বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক মন্দাই নয়, বরং কিছু ব্যক্তির স্বার্থান্বেষী তৎপরতার কারণে তিনি কারখানা চালু রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। গত দুই বছর ধরে বিভিন্ন কারণে কারখানার উৎপাদন একাধিকবার ব্যাহত হয়েছিল বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
সব চেষ্টা সত্ত্বে প্রতিষ্ঠান ধরে রাখতে না পারায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে তিনি দীর্ঘদিনের দক্ষ ও উৎসর্গীকৃত কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তাদের ধৈর্য ধরে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি এই সংকটের জন্য তিনি ক্ষমা চান।
চিঠিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে তাঁর প্রধান লক্ষ্য কারখানার একটি সুব্যবস্থা করে সমস্ত পাওনাদারের দেনা চুকিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা। ভবিষ্যতে নতুন কোনো ব্যবসার মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়ে পুরনো নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পুনরায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
ব্যবসায়িক মন্দা এবং অভ্যন্তরীণ নানামুখী সংকটের জের ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে ‘ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস লিমিটেড’ কর্তৃপক্ষ। রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অবস্থিত কারখানাটির এই সিদ্ধান্ত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) থেকে কার্যকর হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাহবুবুল হাসান ফয়সাল কর্মীদের উদ্দেশে প্রেরিত এক আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে কারখানা বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিঠিতে তিনি জানান, কেবল বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক মন্দাই নয়, বরং কিছু ব্যক্তির স্বার্থান্বেষী তৎপরতার কারণে তিনি কারখানা চালু রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। গত দুই বছর ধরে বিভিন্ন কারণে কারখানার উৎপাদন একাধিকবার ব্যাহত হয়েছিল বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
সব চেষ্টা সত্ত্বে প্রতিষ্ঠান ধরে রাখতে না পারায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে তিনি দীর্ঘদিনের দক্ষ ও উৎসর্গীকৃত কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তাদের ধৈর্য ধরে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি এই সংকটের জন্য তিনি ক্ষমা চান।
চিঠিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে তাঁর প্রধান লক্ষ্য কারখানার একটি সুব্যবস্থা করে সমস্ত পাওনাদারের দেনা চুকিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা। ভবিষ্যতে নতুন কোনো ব্যবসার মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়ে পুরনো নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পুনরায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন