কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ক্যাম্পাসের পরিবেশকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখা এবং সুস্থ ধারার রাজনীতির চর্চা নিশ্চিত করা। বক্তারা ম্যারাথন শেষে আয়োজিত সমাবেশে বলেন, বিগত সময়ে যারা ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন। ‘লীগ ধর’ স্লোগানের মাধ্যমে তারা মূলত অতীতে সংগঠিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, এই ম্যারাথন কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে নয়, বরং সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে একটি সামাজিক ও সচেতনতামূলক পদযাত্রা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। ম্যারাথন শেষে ক্যাম্পাসে একটি সংক্ষিপ্ত র্যালি ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবসের কর্মসূচি সমাপ্ত হয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক শিক্ষাপরিবেশ বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে তারা সবসময় সচেষ্ট থাকবে। আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ক্যাম্পাসের পরিবেশকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখা এবং সুস্থ ধারার রাজনীতির চর্চা নিশ্চিত করা। বক্তারা ম্যারাথন শেষে আয়োজিত সমাবেশে বলেন, বিগত সময়ে যারা ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন। ‘লীগ ধর’ স্লোগানের মাধ্যমে তারা মূলত অতীতে সংগঠিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, এই ম্যারাথন কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে নয়, বরং সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে একটি সামাজিক ও সচেতনতামূলক পদযাত্রা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। ম্যারাথন শেষে ক্যাম্পাসে একটি সংক্ষিপ্ত র্যালি ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবসের কর্মসূচি সমাপ্ত হয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক শিক্ষাপরিবেশ বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে তারা সবসময় সচেষ্ট থাকবে। আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন