হরমুজ প্রণালি বন্ধের পর এবার বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব–এল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইরান এই কৌশল বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতিদের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সতর্ক করে জানিয়েছেন, সৌদি আরব ইয়েমেনে সামরিক অভিযান চালালে তারা বাব–এল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দিতে প্রস্তুত। তাঁর দাবি, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি একই সঙ্গে হরমুজ ও বাব–এল-মান্দেব—এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথকে ঝুঁকির মুখে ফেলে, তাহলে বিশ্বের প্রধান জ্বালানি পরিবহন রুটগুলো মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে হুতি গোষ্ঠী তাদের সামরিক সক্ষমতারও প্রমাণ দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচক ডেনিস রস মনে করেন, উত্তেজনা আরও বাড়ার আগে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার কার্যকর পথ খুঁজে বের করা জরুরি। অন্যদিকে, গালফ রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান আবদুলআজিজ সাগের বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর অনেকেই মনে করছে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। তবে সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে এর মূল্য পুরো অঞ্চলকেই দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
হরমুজ প্রণালি বন্ধের পর এবার বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব–এল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইরান এই কৌশল বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতিদের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সতর্ক করে জানিয়েছেন, সৌদি আরব ইয়েমেনে সামরিক অভিযান চালালে তারা বাব–এল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দিতে প্রস্তুত। তাঁর দাবি, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি একই সঙ্গে হরমুজ ও বাব–এল-মান্দেব—এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথকে ঝুঁকির মুখে ফেলে, তাহলে বিশ্বের প্রধান জ্বালানি পরিবহন রুটগুলো মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে হুতি গোষ্ঠী তাদের সামরিক সক্ষমতারও প্রমাণ দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচক ডেনিস রস মনে করেন, উত্তেজনা আরও বাড়ার আগে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার কার্যকর পথ খুঁজে বের করা জরুরি। অন্যদিকে, গালফ রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান আবদুলআজিজ সাগের বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর অনেকেই মনে করছে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। তবে সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে এর মূল্য পুরো অঞ্চলকেই দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন