যুবসমাজের উদ্ভাবনী ধারণা, সৃজনশীলতা এবং উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে বিশেষ কর্মসূচি ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’। আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই যুগোপযোগী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের তরুণ সমাজকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও স্টার্টআপ উদ্যোগগুলোকে সফল করতে সরকার সর্বাত্মক নীতিগত সহায়তা, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন এবং উপযুক্ত অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করবে। একটি স্বনির্ভর ও আধুনিক প্রযুক্তিগত বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুবসমাজের মেধা ও নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শীর্ষস্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তা, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞ এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে তরুণদের নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপগুলোর গুরুত্ব ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
যুবসমাজের উদ্ভাবনী ধারণা, সৃজনশীলতা এবং উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে বিশেষ কর্মসূচি ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’। আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই যুগোপযোগী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের তরুণ সমাজকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও স্টার্টআপ উদ্যোগগুলোকে সফল করতে সরকার সর্বাত্মক নীতিগত সহায়তা, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন এবং উপযুক্ত অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করবে। একটি স্বনির্ভর ও আধুনিক প্রযুক্তিগত বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুবসমাজের মেধা ও নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শীর্ষস্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তা, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞ এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে তরুণদের নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপগুলোর গুরুত্ব ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন