ইরানের হামলা থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে হলে এবার পারস্য উপসাগরীয় তেল সমৃদ্ধ ‘ধনী’ দেশগুলোকে অবশ্যই পেমেন্ট করতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্ট্রেইট অব হরমুজ বা হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা দেওয়ার বিনিময়ে এই অঞ্চলের ধনী দেশগুলোর মার্কিন পেমেন্ট দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। ওভাল অফিস থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এ কথা বলেন। একই সাথে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র আরেকটি ‘বড় ধরনের হামলা’ চালাতে যাচ্ছে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেলের চালান যাতায়াত করে। এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য ওয়াশিংটন বছরের পর বছর ধরে বিপুল অর্থ ব্যয় করে আসছে। তবে এখন থেকে আর বিনামূল্যে এই সুরক্ষা দেওয়া হবে না। ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, যেসব তেল উৎপাদনকারী ধনী দেশ নিজেদের স্বার্থে এই জলপথ ব্যবহার করছে এবং ইরানকে ভয় পাচ্ছে, তাদের সুরক্ষার খরচ এখন তাদেরই বহন করতে হবে।
একই বৈঠকে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে জানান, ইরানকে রুখতে এবং তাদের যেকোনো আগ্রাসী আচরণের জবাব দিতে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই আরেকটি ‘মেজর অ্যাটাক’ বা বড় ধরনের হামলার ছক কষছে। ট্রাম্পের এই কড়া হুঁশিয়ারি এবং সামরিক হামলার নতুন বার্তার পর তেলসমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আবারও বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
ইরানের হামলা থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে হলে এবার পারস্য উপসাগরীয় তেল সমৃদ্ধ ‘ধনী’ দেশগুলোকে অবশ্যই পেমেন্ট করতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্ট্রেইট অব হরমুজ বা হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা দেওয়ার বিনিময়ে এই অঞ্চলের ধনী দেশগুলোর মার্কিন পেমেন্ট দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। ওভাল অফিস থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এ কথা বলেন। একই সাথে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র আরেকটি ‘বড় ধরনের হামলা’ চালাতে যাচ্ছে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেলের চালান যাতায়াত করে। এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য ওয়াশিংটন বছরের পর বছর ধরে বিপুল অর্থ ব্যয় করে আসছে। তবে এখন থেকে আর বিনামূল্যে এই সুরক্ষা দেওয়া হবে না। ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, যেসব তেল উৎপাদনকারী ধনী দেশ নিজেদের স্বার্থে এই জলপথ ব্যবহার করছে এবং ইরানকে ভয় পাচ্ছে, তাদের সুরক্ষার খরচ এখন তাদেরই বহন করতে হবে।
একই বৈঠকে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে জানান, ইরানকে রুখতে এবং তাদের যেকোনো আগ্রাসী আচরণের জবাব দিতে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই আরেকটি ‘মেজর অ্যাটাক’ বা বড় ধরনের হামলার ছক কষছে। ট্রাম্পের এই কড়া হুঁশিয়ারি এবং সামরিক হামলার নতুন বার্তার পর তেলসমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আবারও বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন