কক্সবাজারে টানা ও অতি ভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ পাহাড়ধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং শহর এলাকা মিলিয়ে অন্তত ৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আজ সোমবার (৬ জুলাই) ভোরের দিকে উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায় পৃথক এই পাহাড়ধসের ঘটনাগুলো ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভোরে উখিয়ার জামতলী, কুতুপালং ও বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ মোট ৮ জন নিহত হন। এর মধ্যে জামতলী ক্যাম্পে পাহাড়চাপায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়। কুতুপালং ক্যাম্পে প্রাণ হারায় এক শিশু এবং বালুখালী ক্যাম্পে এক নারী ও শিশুসহ আরও চারজন নিহত হন।
অন্যদিকে, কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায় পাহাড়ধসে একটি বসতবাড়ি চাপা পড়লে একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল এখনো তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ মিলিমিটারের বেশি রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, আগামী অন্তত দু'দিন এই ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে নতুন করে পাহাড়ধসের চরম ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারী বাসিন্দাদের অনতিবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং ও জরুরি আহ্বান জানানো

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারে টানা ও অতি ভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ পাহাড়ধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং শহর এলাকা মিলিয়ে অন্তত ৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আজ সোমবার (৬ জুলাই) ভোরের দিকে উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায় পৃথক এই পাহাড়ধসের ঘটনাগুলো ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভোরে উখিয়ার জামতলী, কুতুপালং ও বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ মোট ৮ জন নিহত হন। এর মধ্যে জামতলী ক্যাম্পে পাহাড়চাপায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়। কুতুপালং ক্যাম্পে প্রাণ হারায় এক শিশু এবং বালুখালী ক্যাম্পে এক নারী ও শিশুসহ আরও চারজন নিহত হন।
অন্যদিকে, কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায় পাহাড়ধসে একটি বসতবাড়ি চাপা পড়লে একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল এখনো তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ মিলিমিটারের বেশি রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, আগামী অন্তত দু'দিন এই ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে নতুন করে পাহাড়ধসের চরম ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারী বাসিন্দাদের অনতিবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং ও জরুরি আহ্বান জানানো

আপনার মতামত লিখুন