নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা মামলার রায় ১১ নভেম্বর
নেত্রকোনার মদনে ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা করার চাঞ্চল্যকর মামলায় উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন আদালত।গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) নেত্রকোনা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুছ সালামের আদালতে যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের এই দিন ধার্য করা হয়। জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নুরুল কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, যুক্তিতর্ক চলাকালীন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে প্রধান আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহদী (৩০) নিজের সব সম্পদের বিনিময়ে মুক্তি চান এবং কান্নাকাটি করেন; তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী আপসের কথা বললে বিচারক তা কঠোরভাবে নাকচ করে দেন। রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, সিআইডির ডিএনএ ফরেসিংক রিপোর্টে নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষকের ডিএনএর ৯৯.৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে, যা অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে অকাট্য সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।মামলার বিবরণী অনুযায়ী, মা-বাবার বিচ্ছেদের পর নানার বাড়িতে থেকে কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করা ওই শিশুটিকে গত এপ্রিল মাসে অসুস্থ অবস্থায় ক্লিনিকে নিলে তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। ঘটনায় ২৩ এপ্রিল মামলা দায়েরের পর গত ৬ মে প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে সিলেটে সেফ হোমে থাকা অবস্থায় শিশুটি গত ২ জুলাই একটি কন্যাশিশু জন্ম দেয়। ডিএনএ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত কর্মকর্তা গত ২৭ আগস্ট অভিযোগপত্র জমা দেন এবং আগামী ১১ নভেম্বর আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।