রাজধানীর মগবাজার এলাকায় অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে গ্যাস লিকেজের কারণে শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়ে চিকিৎসাধীন ছয়টি শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালের দিকে এই আকস্মিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। অত্যন্ত সংবেদনশীল এই ওয়ার্ডটিতে আরও বেশ কিছু শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। মর্মান্তিক এই মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম।
ঘটনার প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওই ওয়ার্ডের ভেতরে থাকা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বা এসি ব্যবস্থায় আকস্মিক কোনো বড় ধরনের ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। এই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই সেখান থেকে বিষাক্ত বা ক্ষতিকর গ্যাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এসি থেকে নির্গত এই গ্যাস দ্রুত পুরো ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়লে সেখানে থাকা কোমলমতি নবজাতকদের শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে তীব্র কষ্ট শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে এবং চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে একে একে ছয়টি শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
এমন আকস্মিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর পুরো হাসপাতাল চত্বর জুড়ে এক থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সন্তান হারানো মা-বাবার আহাজারি আর কান্নায় হাসপাতালের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পেছনে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, কিংবা যান্ত্রিক রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
রাজধানীর মগবাজার এলাকায় অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে গ্যাস লিকেজের কারণে শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়ে চিকিৎসাধীন ছয়টি শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালের দিকে এই আকস্মিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। অত্যন্ত সংবেদনশীল এই ওয়ার্ডটিতে আরও বেশ কিছু শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। মর্মান্তিক এই মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম।
ঘটনার প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওই ওয়ার্ডের ভেতরে থাকা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বা এসি ব্যবস্থায় আকস্মিক কোনো বড় ধরনের ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। এই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই সেখান থেকে বিষাক্ত বা ক্ষতিকর গ্যাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এসি থেকে নির্গত এই গ্যাস দ্রুত পুরো ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়লে সেখানে থাকা কোমলমতি নবজাতকদের শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে তীব্র কষ্ট শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে এবং চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে একে একে ছয়টি শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
এমন আকস্মিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর পুরো হাসপাতাল চত্বর জুড়ে এক থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সন্তান হারানো মা-বাবার আহাজারি আর কান্নায় হাসপাতালের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পেছনে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, কিংবা যান্ত্রিক রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন