দিকপাল

মোবাইল ব্যবহারে ব্রেন ক্যানসারের ঝুঁকি নেই: ডব্লিউএইচওর গবেষণা


তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:২০ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

মোবাইল ব্যবহারে ব্রেন ক্যানসারের ঝুঁকি নেই: ডব্লিউএইচওর গবেষণা

মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে মস্তিষ্কে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে না বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দীর্ঘদিনের এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ১৯৯৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ২২টি দেশে প্রকাশিত ৬৩টি গবেষণাপত্র বিশ্লেষণ করে সংস্থাটির নতুন পর্যালোচনায় মোবাইল ফোনের ব্যবহারের সাথে মস্তিষ্কের বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের কোনো নির্ভরযোগ্য সম্পর্ক বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ডের (আরএফ-ইএমএফ) সংস্পর্শে আসার সঙ্গে গ্লিওমা, মেনিনজিওমা, অ্যাকুস্টিক নিউরোমা, পিটুইটারি বা লালাগ্রন্থির ক্যানসার এবং লিউকেমিয়ার কোনো সংযোগ নেই। এমনকি মোবাইল ফোনের টাওয়ার বা সম্প্রচার অ্যান্টেনার মতো উৎস থেকেও শিশুদের লিউকেমিয়া বা মস্তিষ্কের টিউমারের কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা জানান, এ ধরনের তরঙ্গ শরীরে রাসায়নিক বন্ধন ভাঙতে কিংবা ডিএনএর ক্ষতি করতে সক্ষম নয়।

আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা (আইএআরসি) পূর্বে মোবাইল ফোনকে ‘সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করলেও সাম্প্রতিক কসমস প্রকল্পসহ বড় জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত উন্নত গবেষণায় আগের উদ্বেগের পক্ষে কোনো জোরালো প্রমাণ মেলেনি। তবে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন ও নতুন কম্পাঙ্কের ব্যবহারের কথা বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞরা অপ্রয়োজনীয় বিকিরণের সংস্পর্শ কমানো ও নিয়মিত গবেষণার ওপর জোর দিয়েছেন।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

বিষয় : মোবাইল রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬


মোবাইল ব্যবহারে ব্রেন ক্যানসারের ঝুঁকি নেই: ডব্লিউএইচওর গবেষণা

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে মস্তিষ্কে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে না বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দীর্ঘদিনের এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ১৯৯৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ২২টি দেশে প্রকাশিত ৬৩টি গবেষণাপত্র বিশ্লেষণ করে সংস্থাটির নতুন পর্যালোচনায় মোবাইল ফোনের ব্যবহারের সাথে মস্তিষ্কের বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের কোনো নির্ভরযোগ্য সম্পর্ক বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ডের (আরএফ-ইএমএফ) সংস্পর্শে আসার সঙ্গে গ্লিওমা, মেনিনজিওমা, অ্যাকুস্টিক নিউরোমা, পিটুইটারি বা লালাগ্রন্থির ক্যানসার এবং লিউকেমিয়ার কোনো সংযোগ নেই। এমনকি মোবাইল ফোনের টাওয়ার বা সম্প্রচার অ্যান্টেনার মতো উৎস থেকেও শিশুদের লিউকেমিয়া বা মস্তিষ্কের টিউমারের কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা জানান, এ ধরনের তরঙ্গ শরীরে রাসায়নিক বন্ধন ভাঙতে কিংবা ডিএনএর ক্ষতি করতে সক্ষম নয়।

আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা (আইএআরসি) পূর্বে মোবাইল ফোনকে ‘সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করলেও সাম্প্রতিক কসমস প্রকল্পসহ বড় জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত উন্নত গবেষণায় আগের উদ্বেগের পক্ষে কোনো জোরালো প্রমাণ মেলেনি। তবে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন ও নতুন কম্পাঙ্কের ব্যবহারের কথা বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞরা অপ্রয়োজনীয় বিকিরণের সংস্পর্শ কমানো ও নিয়মিত গবেষণার ওপর জোর দিয়েছেন।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল