নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সড়কের পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় জহির ফকির (৫০) নামে এক যুবদল নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সোনারগাঁয়ের চর কিশোরগঞ্জের বালুরঘাট এলাকায় একটি মাদ্রাসার পাশে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
নিহত জহির ফকির নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের ১ নম্বর আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খরিয়ারচর গ্রামের আব্দুল রহমান মাতব্বরের ছেলে। জহির ফকির দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁয়ের চর কিশোরগঞ্জের বালুরঘাট এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।
তবে জহির ফকির কীভাবে আহত হয়েছেন এবং তাঁর মৃত্যুর পেছনে কোনো পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কিংবা পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, জহির ফকিরকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সূত্র: সোনারগাঁ থানা পুলিশ ও স্থানীয় প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সড়কের পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় জহির ফকির (৫০) নামে এক যুবদল নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সোনারগাঁয়ের চর কিশোরগঞ্জের বালুরঘাট এলাকায় একটি মাদ্রাসার পাশে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
নিহত জহির ফকির নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের ১ নম্বর আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খরিয়ারচর গ্রামের আব্দুল রহমান মাতব্বরের ছেলে। জহির ফকির দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁয়ের চর কিশোরগঞ্জের বালুরঘাট এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।
তবে জহির ফকির কীভাবে আহত হয়েছেন এবং তাঁর মৃত্যুর পেছনে কোনো পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কিংবা পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, জহির ফকিরকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সূত্র: সোনারগাঁ থানা পুলিশ ও স্থানীয় প্রতিনিধি

আপনার মতামত লিখুন