অবৈধভাবে মোবাইল ফোন উৎপাদন, চোরাচালান এবং অনুমোদনহীন বিক্রির মাধ্যমে সরকারের বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ লক্ষ্যে আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন ব্যবস্থা (এনইআইআর) পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মূল্যায়নে দেখা গেছে, শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে দেশে আসা মোবাইল ফোনের কারণে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। প্রস্তাবিত এনইআইআর ব্যবস্থার মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্তকরণ, অবৈধ বা চোরাই ফোন প্রতিরোধ এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় (এমএফএস) জালিয়াতি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ বন্ধ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে এনইআইআরের মূল কার্যক্রমগুলো চালু করা হবে। এতে বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে এবং অনুমোদিত আমদানিকারক ও উৎপাদকদের আইএমইআই তথ্য ব্যবস্থাটিতে যুক্ত করা হবে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে অনিবন্ধিত ও অবৈধ হ্যান্ডসেট বিচ্ছিন্ন ও নিবন্ধন বাতিলের কড়া ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশজুড়ে শুধু দ্বিতীয় প্রজন্মের (২জি) নেটওয়ার্ক-সমর্থিত হ্যান্ডসেট ব্যবহার পর পর্যায়ক্রমে বন্ধের রূপরেখাও অনুমোদন করেছে বিটিআরসি।
সূত্র: বিটিআরসি ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
অবৈধভাবে মোবাইল ফোন উৎপাদন, চোরাচালান এবং অনুমোদনহীন বিক্রির মাধ্যমে সরকারের বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ লক্ষ্যে আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন ব্যবস্থা (এনইআইআর) পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মূল্যায়নে দেখা গেছে, শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে দেশে আসা মোবাইল ফোনের কারণে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। প্রস্তাবিত এনইআইআর ব্যবস্থার মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্তকরণ, অবৈধ বা চোরাই ফোন প্রতিরোধ এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় (এমএফএস) জালিয়াতি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ বন্ধ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে এনইআইআরের মূল কার্যক্রমগুলো চালু করা হবে। এতে বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে এবং অনুমোদিত আমদানিকারক ও উৎপাদকদের আইএমইআই তথ্য ব্যবস্থাটিতে যুক্ত করা হবে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে অনিবন্ধিত ও অবৈধ হ্যান্ডসেট বিচ্ছিন্ন ও নিবন্ধন বাতিলের কড়া ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশজুড়ে শুধু দ্বিতীয় প্রজন্মের (২জি) নেটওয়ার্ক-সমর্থিত হ্যান্ডসেট ব্যবহার পর পর্যায়ক্রমে বন্ধের রূপরেখাও অনুমোদন করেছে বিটিআরসি।
সূত্র: বিটিআরসি ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ

আপনার মতামত লিখুন