দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়েছেন।
হাসপাতালের বহির্বিভাগ, শিশু ওয়ার্ড এবং ইনডোর প্রাঙ্গণের বিভিন্ন খোলা ড্রেন, গর্ত, এসি থেকে ঝরে পড়া পানি, ডাবের খোসা ও কাপে পানি জমে থেকে মশার বংশবিস্তার ঘটছে।
এমনকি হাসপাতালের একটি ভবনের তিন তলার ওয়াশরুমের পাইপে ছিদ্র হয়ে টয়লেটের বর্জ্য বের হয়ে চলাচলের পথে ছড়িয়ে পড়ছে, যা দুর্গন্ধ ও মারাত্মক রোগজীবাণু ছড়াচ্ছে। চিকিৎসা নিতে এসে উল্টো ডেঙ্গুসহ নানা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগী ও স্বজনেরা।
কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার সতর্ক করে জানিয়েছেন, জমানো পানিতে মাত্র তিন দিনে এডিসের লার্ভা ও সাত দিনে পূর্ণাঙ্গ মশা তৈরি হয়। হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর উপস্থিতি বেশি থাকায় এখানে এডিসের প্রজনন ঘটলে সংক্রামক ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়, তাই সপ্তাহে অন্তত এক দিন পুরো কম্পাউন্ড তদারকি ও পরিষ্কার করা জরুরি।
উদ্ভূত জনস্বাস্থ্য সংকট ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগী ও স্বজনদের চাপের কারণে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা কিছুটা কঠিন হলেও কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাইপের ছিদ্র মেরামতসহ জমে থাকা পানির সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়েছেন।
হাসপাতালের বহির্বিভাগ, শিশু ওয়ার্ড এবং ইনডোর প্রাঙ্গণের বিভিন্ন খোলা ড্রেন, গর্ত, এসি থেকে ঝরে পড়া পানি, ডাবের খোসা ও কাপে পানি জমে থেকে মশার বংশবিস্তার ঘটছে।
এমনকি হাসপাতালের একটি ভবনের তিন তলার ওয়াশরুমের পাইপে ছিদ্র হয়ে টয়লেটের বর্জ্য বের হয়ে চলাচলের পথে ছড়িয়ে পড়ছে, যা দুর্গন্ধ ও মারাত্মক রোগজীবাণু ছড়াচ্ছে। চিকিৎসা নিতে এসে উল্টো ডেঙ্গুসহ নানা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগী ও স্বজনেরা।
কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার সতর্ক করে জানিয়েছেন, জমানো পানিতে মাত্র তিন দিনে এডিসের লার্ভা ও সাত দিনে পূর্ণাঙ্গ মশা তৈরি হয়। হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর উপস্থিতি বেশি থাকায় এখানে এডিসের প্রজনন ঘটলে সংক্রামক ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়, তাই সপ্তাহে অন্তত এক দিন পুরো কম্পাউন্ড তদারকি ও পরিষ্কার করা জরুরি।
উদ্ভূত জনস্বাস্থ্য সংকট ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগী ও স্বজনদের চাপের কারণে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা কিছুটা কঠিন হলেও কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাইপের ছিদ্র মেরামতসহ জমে থাকা পানির সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন