চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ভয়াবহ বন্যার মধ্যে এক হৃদয়বিদারক ঘটনার জন্ম হয়েছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো. ফোরকানের আকস্মিক মৃত্যুর পর বাড়ির চারপাশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে দাফনের সুযোগ মেলেনি। শেষ পর্যন্ত ভেলা তৈরি করে তাঁর মরদেহ প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের একটি পাহাড়ি কবরস্থানে নিয়ে যেতে হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফোরকানের বাড়ির চারদিকে বুকসমান পানি জমে থাকায় মরদেহ বের করাই কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে পারিবারিক কবরস্থানও বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় সেখানে দাফন করা সম্ভব হয়নি।
এ অবস্থায় স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে একটি ভেলা তৈরি করেন। পরে সেই ভেলায় মরদেহ বহন করে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের পাহাড়ের কবরস্থানে নিয়ে গিয়ে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয়দের মতে, চলমান বন্যায় সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। অনেক গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়ায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগের আরও একটি মর্মস্পর্শী চিত্র সামনে এসেছে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ভয়াবহ বন্যার মধ্যে এক হৃদয়বিদারক ঘটনার জন্ম হয়েছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো. ফোরকানের আকস্মিক মৃত্যুর পর বাড়ির চারপাশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে দাফনের সুযোগ মেলেনি। শেষ পর্যন্ত ভেলা তৈরি করে তাঁর মরদেহ প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের একটি পাহাড়ি কবরস্থানে নিয়ে যেতে হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফোরকানের বাড়ির চারদিকে বুকসমান পানি জমে থাকায় মরদেহ বের করাই কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে পারিবারিক কবরস্থানও বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় সেখানে দাফন করা সম্ভব হয়নি।
এ অবস্থায় স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে একটি ভেলা তৈরি করেন। পরে সেই ভেলায় মরদেহ বহন করে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের পাহাড়ের কবরস্থানে নিয়ে গিয়ে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয়দের মতে, চলমান বন্যায় সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। অনেক গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়ায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগের আরও একটি মর্মস্পর্শী চিত্র সামনে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন