প্রিন্ট এর তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
অপ্রয়োজনীয় টিআইএন সার্টিফিকেট বাতিল করার নিয়ম ও করণীয়
লাইফ স্টাইল ডেক্স ||
কোন পরিস্থিতিতে টিআইএন বাতিল করা যায়?আইনগত ও বাস্তবিক বিভিন্ন কারণে টিআইএন বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে। এর মধ্যে প্রধান পরিস্থিতিগুলো হলো:ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে: কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে ব্যবসা বন্ধ করলে এবং সংশ্লিষ্ট টিআইএন আর প্রয়োজন না থাকলে।একাধিক টিআইএন থাকলে: ভুলবশত একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে একাধিক টিআইএন তৈরি হয়ে গেলে।প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেলে: নির্দিষ্ট কোনো দাপ্তরিক কাজের জন্য টিআইএন নেওয়ার পর সেটির আর কোনো কার্যকারিতা না থাকলে।করযোগ্য আয় না থাকলে: আয় করযোগ্য সীমার নিচে নেমে গেলে (তবে শুধু আয় কমে যাওয়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিআইএন বাতিলের নিশ্চয়তা দেয় না)।দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থান করলে: কোনো বাংলাদেশি নাগরিক দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করলে এবং দেশে কোনো করযোগ্য আয় না থাকলে।করদাতার মৃত্যু হলে: করদাতার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা যথাযথ কাগজপত্র সাপেক্ষে আবেদন করতে পারেন।টিআইএন বাতিলের আবেদনের পদ্ধতিএনবিআরের নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়ায় টিআইএন বাতিলের আবেদন করতে হয়।১. অনলাইনে আবেদন:প্রথমে এনবিআরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (হনৎ.মড়া.নফ) ভিজিট করে অনলাইন সেবা ও বাতিলের বর্তমান নিয়ম যাচাই করতে হবে। এরপর নিজের অ্যাকাউন্ট বা পোর্টালে প্রবেশ করে টিআইএন নম্বর, ব্যক্তিগত পরিচিতি এবং বাতিলের সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে। কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন সাপেক্ষে টিআইএন বাতিল হবে।২. সরাসরি বা সার্কেল অফিসে আবেদন:অনলাইনে করা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল বা কর কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণত নিচের কাগজপত্রগুলো প্রয়োজন হয়:জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডির কপি।টিআইএন সনদ বা টিআইএন নম্বরের প্রমাণপত্র।ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পক্ষে যথাযথ প্রমাণপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।টিআইএন বাতিলের কারণ সমর্থনের প্রয়োজনীয় নথি।সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী আগের বছরগুলোর আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বা প্রাপ্তিস্বীকার পত্র।বাতিলের পর করণীয় ও সতর্কতাদায় ও বকেয়া: টিআইএন বাতিল মানেই আগের কোনো বকেয়া কর বা আইনগত দায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যায় না। অতীতের কোনো জটিলতা থাকলে তা আগে নিষ্পত্তি করতে হবে।ভবিষ্যতের প্রয়োজন: শুধু রিটার্ন দাখিলের ঝামেলা এড়াতে তাড়াহুড়ো করে টিআইএন বাতিলের সিদ্ধান্ত না নিয়ে নিজের বর্তমান আর্থিক অবস্থা, সম্পদ ও ভবিষ্যতের প্রয়োজনের বিষয়টি ভালোভাবে বিবেচনা করুন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল বা কর বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল